লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনের সামনে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা হামলা চালিয়ে মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ বিএনপির। আজ শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হামলার ঘটনার পর সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দি সাবু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমার বাসভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সে অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি বাসভবনের দিকেও ইটপাটকেল ছুড়েছে। অনতিবিলম্বে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
তবে এ হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি তিনি বলেন, ‘বিএনপির অন্তর্কোন্দলে নিজেরাই হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। এই হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নয়। এ ছাড়া বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওই বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করার জন্য ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা শহরে অবস্থান নেয়।’
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম লিটন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ স্থলে নেতা কর্মীরা জড়ো হচ্ছিলেন। বিনা উসকানিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সমাবেশ স্থলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশের সামনে এ হামলা চালানো হলেও পুলিশ কোনো ভূমিকা নেয়নি।’
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘হামলার বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি।’

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনের সামনে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা হামলা চালিয়ে মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ বিএনপির। আজ শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হামলার ঘটনার পর সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দি সাবু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমার বাসভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সে অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি বাসভবনের দিকেও ইটপাটকেল ছুড়েছে। অনতিবিলম্বে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
তবে এ হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি তিনি বলেন, ‘বিএনপির অন্তর্কোন্দলে নিজেরাই হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। এই হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নয়। এ ছাড়া বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওই বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করার জন্য ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা শহরে অবস্থান নেয়।’
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম লিটন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ স্থলে নেতা কর্মীরা জড়ো হচ্ছিলেন। বিনা উসকানিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সমাবেশ স্থলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশের সামনে এ হামলা চালানো হলেও পুলিশ কোনো ভূমিকা নেয়নি।’
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘হামলার বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে