কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত) চিকিৎসাধীন তিন মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন শিশুটির মৃত্যু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম।
মৃত শিশুটি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকার বাসিন্দা।
হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম বলেন, শিশুটি সেফটি সেমিয়াসহ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত ছিল এবং সেই সঙ্গে করোনা পজিটিভ ছিল। বেশ কিছুদিন ধরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা চলছিল।
এ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮শ জনে। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মৃতের সংখ্যা ৩৫৭ জন, কুমারখালীতে ১১০ জন, দৌলতপুরে ১০২ জন, ভেড়ামারা ৭৬ জন, মিরপুর ১১৮ জন এবং খোকসা উপজেলার ৩৭ জন।
এদিকে, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের জন্য কুষ্টিয়াকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে কুষ্টিয়ায় এর সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস এবং কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত) ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তবে আক্রান্তদের অধিকাংশই বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে এখনো হাসপাতালে রোগীর চাপ তেমন একটা নেই বললেই চলে।
হাসপাতালে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেজবাউল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৩০২ জনের। রিপোর্ট পাওয়া গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৩১ জনের। এর মধ্যে ২১ হাজার ২২১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৬৯৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৭ জন। হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৬৮৬ জন।

কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত) চিকিৎসাধীন তিন মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন শিশুটির মৃত্যু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম।
মৃত শিশুটি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকার বাসিন্দা।
হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম বলেন, শিশুটি সেফটি সেমিয়াসহ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত ছিল এবং সেই সঙ্গে করোনা পজিটিভ ছিল। বেশ কিছুদিন ধরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা চলছিল।
এ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮শ জনে। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মৃতের সংখ্যা ৩৫৭ জন, কুমারখালীতে ১১০ জন, দৌলতপুরে ১০২ জন, ভেড়ামারা ৭৬ জন, মিরপুর ১১৮ জন এবং খোকসা উপজেলার ৩৭ জন।
এদিকে, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের জন্য কুষ্টিয়াকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে কুষ্টিয়ায় এর সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস এবং কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত) ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তবে আক্রান্তদের অধিকাংশই বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে এখনো হাসপাতালে রোগীর চাপ তেমন একটা নেই বললেই চলে।
হাসপাতালে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেজবাউল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৩০২ জনের। রিপোর্ট পাওয়া গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৩১ জনের। এর মধ্যে ২১ হাজার ২২১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৬৯৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৭ জন। হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৬৮৬ জন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে