দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে সারফান সর্দার (৫০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত বাইজিদ সর্দার (৩৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাগোয়ান কান্দিরপাড়া গ্রামে মন্ডল গ্রুপ ও সর্দার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত সারফান সর্দার ওই গ্রামের মৃত হামের সর্দারের ছেলে। গুরুতর আহত বাইজিদ সর্দার মৃত বিছার সর্দারের ছেলে ও নিহত সারফানের ভাগিনা।
স্থানীয় লোকজন জানায়, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন সারফান সর্দারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশের একটি বাঁশবাগানে পায়ের রগ কেটে হত্যা করে। এ সময় বাইজিদসহ আরও চারজন আহত হন। পরে গুরুতর আহত বাইজিদকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের মেয়ে মিম খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে প্রতিপক্ষরা আমার বাবাকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে পাশের বাঁশবাগানে পা কেটে হত্যা করেছে।’
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পাশাপাশি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। এ ঘটনায় রাতেই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে সারফান সর্দার (৫০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত বাইজিদ সর্দার (৩৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাগোয়ান কান্দিরপাড়া গ্রামে মন্ডল গ্রুপ ও সর্দার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত সারফান সর্দার ওই গ্রামের মৃত হামের সর্দারের ছেলে। গুরুতর আহত বাইজিদ সর্দার মৃত বিছার সর্দারের ছেলে ও নিহত সারফানের ভাগিনা।
স্থানীয় লোকজন জানায়, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন সারফান সর্দারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশের একটি বাঁশবাগানে পায়ের রগ কেটে হত্যা করে। এ সময় বাইজিদসহ আরও চারজন আহত হন। পরে গুরুতর আহত বাইজিদকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের মেয়ে মিম খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে প্রতিপক্ষরা আমার বাবাকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে পাশের বাঁশবাগানে পা কেটে হত্যা করেছে।’
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পাশাপাশি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। এ ঘটনায় রাতেই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে