ইবি (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সহায়ক কর্মচারী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। সেদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ ভবনে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে ১৩০ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
জানা গেছে, নির্বাচনে দুইটি পৃথক প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সহায়ক কর্মচারীরা। সহায়ক কর্মচারীদের একটি প্যানেলে সভাপতি পদে আব্রাহাম লিংকন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এদিকে অন্য আরেকটি প্যানেলে সহায়ক সভাপতি পদে জে. এম. ইলিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক পদে মহসিন আলম নির্বাচনে অংশ নেবেন।
লিংকন-ফরিদ প্যানেলের অন্য ১৩ জন হলেন, সহসভাপতি পদে আমিরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক পদে এম এ ইসলাম শামীম, কোষাধ্যক্ষ পদে সাখাওয়াত হোসেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েল ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে হাবিবুর রহমান।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আখতার হোসেন খান, ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে আজিজুল হক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পদে মমতাজ পারভিন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অছিয়ত খান, ফরিদা পারভীন, মিজানুর রহমান।
অন্যদিকে ইলিয়াস-মহসিন প্যানেলের অন্য ১৩ জন হলেন, সহসভাপতি পদে ইমারত হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক পদে বলাই তরফদার, কোষাধ্যক্ষ পদে শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আফতাব উদ্দিন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে কামরুজ্জামান।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লিটন আহম্মেদ, ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে গিয়াস উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পদে আয়েশা খাতুন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে আব্দুল মান্নান, তোৱাৰ উদ্দিন, হামিদুল ইসলাম।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অর্থ হিসাব শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুল মান্নান বলেন, সমিতির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সহায়ক কর্মচারী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। সেদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ ভবনে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে ১৩০ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
জানা গেছে, নির্বাচনে দুইটি পৃথক প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সহায়ক কর্মচারীরা। সহায়ক কর্মচারীদের একটি প্যানেলে সভাপতি পদে আব্রাহাম লিংকন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এদিকে অন্য আরেকটি প্যানেলে সহায়ক সভাপতি পদে জে. এম. ইলিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক পদে মহসিন আলম নির্বাচনে অংশ নেবেন।
লিংকন-ফরিদ প্যানেলের অন্য ১৩ জন হলেন, সহসভাপতি পদে আমিরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক পদে এম এ ইসলাম শামীম, কোষাধ্যক্ষ পদে সাখাওয়াত হোসেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েল ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে হাবিবুর রহমান।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আখতার হোসেন খান, ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে আজিজুল হক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পদে মমতাজ পারভিন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অছিয়ত খান, ফরিদা পারভীন, মিজানুর রহমান।
অন্যদিকে ইলিয়াস-মহসিন প্যানেলের অন্য ১৩ জন হলেন, সহসভাপতি পদে ইমারত হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক পদে বলাই তরফদার, কোষাধ্যক্ষ পদে শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আফতাব উদ্দিন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে কামরুজ্জামান।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লিটন আহম্মেদ, ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে গিয়াস উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পদে আয়েশা খাতুন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে আব্দুল মান্নান, তোৱাৰ উদ্দিন, হামিদুল ইসলাম।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অর্থ হিসাব শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুল মান্নান বলেন, সমিতির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে