কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের কুষ্টিয়ার পিটিআই রোডের বাসায় হামলা চালানো হয়েছে। আজ রোববার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার একটু আগে এ ঘটনা ঘটে। হানিফ কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কাস্টম মোড় পৌঁছালে সেখান থেকে একটি অংশ পিটিআই রোডের দিকে অগ্রসর হয়। এরপরই হানিফের বাসায় হামলা চালানো হয়। হামলায় বাসার সামনে থাকা চেয়ার, টেবিল ও জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। এতে বাড়ির দোতলা ও তৃতীয় তলার জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে হামলাকারীরা গেট ভেঙে ঢুকে গার্ডের রুম তছনছ করে বাইরে রাখা কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। এ সংবাদ জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে হামলাকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে বাড়িতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য জহুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামায়াত-শিবির ও বিএনপির লোকজন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করে। ন্যক্কারজনক এ হামলার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এদিকে, হামলার খবর পেয়ে হানিফের বাসায় নেতা–কর্মীরা ভিড় করেন। তাঁরা হামলার জন্য বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের লোকজনকে দায়ী করে বিচার চান।
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক এই হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে মাহবুব উল আলম হানিফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) পলাশ কান্তি নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা মাহবুব উল আলম হানিফের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর করেছে। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের কুষ্টিয়ার পিটিআই রোডের বাসায় হামলা চালানো হয়েছে। আজ রোববার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার একটু আগে এ ঘটনা ঘটে। হানিফ কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কাস্টম মোড় পৌঁছালে সেখান থেকে একটি অংশ পিটিআই রোডের দিকে অগ্রসর হয়। এরপরই হানিফের বাসায় হামলা চালানো হয়। হামলায় বাসার সামনে থাকা চেয়ার, টেবিল ও জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। এতে বাড়ির দোতলা ও তৃতীয় তলার জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে হামলাকারীরা গেট ভেঙে ঢুকে গার্ডের রুম তছনছ করে বাইরে রাখা কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। এ সংবাদ জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে হামলাকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে বাড়িতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য জহুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামায়াত-শিবির ও বিএনপির লোকজন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করে। ন্যক্কারজনক এ হামলার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এদিকে, হামলার খবর পেয়ে হানিফের বাসায় নেতা–কর্মীরা ভিড় করেন। তাঁরা হামলার জন্য বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের লোকজনকে দায়ী করে বিচার চান।
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক এই হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে মাহবুব উল আলম হানিফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) পলাশ কান্তি নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা মাহবুব উল আলম হানিফের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর করেছে। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে