রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শুরু হয়েছে নদীভাঙন। ভাঙনে নিঃস্ব হয়েছে শতাধিক পরিবার। এ ছাড়া হুমকির মুখে রয়েছে আরও পাঁচ শতাধিক পরিবার। এসব পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এবারের বন্যার শুরুতে নদীভাঙনে ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুই শতাধিক পরিবার। ঘরবাড়ি ভাঙা পরিবারগুলো রাস্তার ধারে, অন্যের জমিতে কোনোমতে ঠাঁই নিয়েছে।
চরশৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান দুলাল জানান, ব্রহ্মপুত্রের অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী, খেদাইমারী, সুখেরবাতি, খাউরিয়া, বন্দবেড় ইউনিয়নের গোয়ালেরচর, ফলুয়ারচর, উত্তর ফলুয়ারচর, পালেরচর, কুটিরচর, চরবাঘমারা, রৌমারী ইউনিয়নের কান্তাপাড়া, কাশিয়ারচর, চাক্তাবাড়ী, যাদুরচর ইউনিয়নের দুবলাবাড়ী, ধনারচর পশ্চিমপাড়া ও কাঠিয়ামারী গ্রাম।
যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে উপজেলার কর্তিমারী বাজার রক্ষা বাঁধ ও ধনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আমি উপজেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’
বন্দবেড় ইউনিয়নের ফলুয়ারচর গ্রামের আসরাফ আলী বলেন, ‘আমাদের বসতভিটা নদীতে ভেঙে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব হয়ে অন্যের জমিতে কোনোমতে ঠাঁই নিয়ে বেঁচে আছি।’
একই ইউনিয়নের পালেরচর গ্রামের ছোরমান মাঝি বলেন, ‘আমার জমিজমা ঘরবাড়ি সব নদীতে ভেসে গেছে। রাস্তার ধারে কাগজের ছাপড়া দিয়ে পোলাপান নিয়ে কোনোমতে জীবন যাপন করছি। কত দিনে আমার বসতভিটা জেগে উঠবে আল্লাই জানে। সরকার যদি একটু খাসজমি দিত, সেখানে ব-পোলাপান নিয়ে থাকতে পারতাম।’
উত্তর ফলুয়ারচর গ্রামের মকুল, শানু, সভা দাশ, মঞ্জু, কুতুব আলী, জহেরা, তুলসী, হনুফা, জামাল শেখ, ছামছুল, তারাফুল, ছমেদ জানান, দিনের পর দিন নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হলেও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আব্দুল কাদের জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে। পানি বৃদ্ধির শুরুতে ফলুয়ারচরে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল, সেগুলোও এখন নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রুত ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পরবে নদীপারের মানুষ।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শুরু হয়েছে নদীভাঙন। ভাঙনে নিঃস্ব হয়েছে শতাধিক পরিবার। এ ছাড়া হুমকির মুখে রয়েছে আরও পাঁচ শতাধিক পরিবার। এসব পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এবারের বন্যার শুরুতে নদীভাঙনে ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুই শতাধিক পরিবার। ঘরবাড়ি ভাঙা পরিবারগুলো রাস্তার ধারে, অন্যের জমিতে কোনোমতে ঠাঁই নিয়েছে।
চরশৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান দুলাল জানান, ব্রহ্মপুত্রের অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী, খেদাইমারী, সুখেরবাতি, খাউরিয়া, বন্দবেড় ইউনিয়নের গোয়ালেরচর, ফলুয়ারচর, উত্তর ফলুয়ারচর, পালেরচর, কুটিরচর, চরবাঘমারা, রৌমারী ইউনিয়নের কান্তাপাড়া, কাশিয়ারচর, চাক্তাবাড়ী, যাদুরচর ইউনিয়নের দুবলাবাড়ী, ধনারচর পশ্চিমপাড়া ও কাঠিয়ামারী গ্রাম।
যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে উপজেলার কর্তিমারী বাজার রক্ষা বাঁধ ও ধনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আমি উপজেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’
বন্দবেড় ইউনিয়নের ফলুয়ারচর গ্রামের আসরাফ আলী বলেন, ‘আমাদের বসতভিটা নদীতে ভেঙে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব হয়ে অন্যের জমিতে কোনোমতে ঠাঁই নিয়ে বেঁচে আছি।’
একই ইউনিয়নের পালেরচর গ্রামের ছোরমান মাঝি বলেন, ‘আমার জমিজমা ঘরবাড়ি সব নদীতে ভেসে গেছে। রাস্তার ধারে কাগজের ছাপড়া দিয়ে পোলাপান নিয়ে কোনোমতে জীবন যাপন করছি। কত দিনে আমার বসতভিটা জেগে উঠবে আল্লাই জানে। সরকার যদি একটু খাসজমি দিত, সেখানে ব-পোলাপান নিয়ে থাকতে পারতাম।’
উত্তর ফলুয়ারচর গ্রামের মকুল, শানু, সভা দাশ, মঞ্জু, কুতুব আলী, জহেরা, তুলসী, হনুফা, জামাল শেখ, ছামছুল, তারাফুল, ছমেদ জানান, দিনের পর দিন নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হলেও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আব্দুল কাদের জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে। পানি বৃদ্ধির শুরুতে ফলুয়ারচরে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল, সেগুলোও এখন নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রুত ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পরবে নদীপারের মানুষ।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গড়েয়া ব্রিজ এলাকায় গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৫ মিনিট আগে
ঘন কুয়াশায় প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল শুরু হয় বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন।
১ ঘণ্টা আগে
এই রেকর্ড রুমে ১৭৪১ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত যশোর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দলিল, ভলিউম বুক, বালাম বই, সূচিপত্র, টিপবইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংরক্ষিত ছিল। তিনি আরও জানান, খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ভবনের দরজা কেউ খুলতেন না।
১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দৌলতখালী গ্রাম থেকে একটি পুরোনো আর্টিলারি শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দৌলতখালী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা মৃত আসমত উল্লাহর বসতবাড়িতে এটি পাওয়া যায়।
১ ঘণ্টা আগে