ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে লুৎফর রহমান (২২) নামে এক যুবক নিখোঁজ ছিলেন। আট দিন পর জানা গেল তিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন উপজেলার বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই যুবক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের রাজমিস্ত্রি সেলিম মিয়ার ছেলে। সেলিম মিয়া দাবি করেন, তাঁর ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে বাড়ি যাওয়ার জন্য কাজের স্থান থেকে বেরিয়ে পথ ভুলে সীমান্তে চলে যায়।
স্বজনেরা জানান, সেলিম মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি। ছেলে লুৎফর রহমান তাঁর সঙ্গে জোগালির কাজ করেন। উপজেলার বালাতাড়ি সীমান্ত এলাকার জনৈক মোশারফ হোসেনের বাড়িতে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ঘর নির্মাণের কাজ করছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ করতে অনেক রাত হয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে ছেলে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যায়।
সেলিম মিয়া বলেন, কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ায় ছেলে কিছুটা অভিমান করে। রাতে সীমান্তে ভারতের ফ্ল্যাশ লাইট দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পথ ভুলে বালাতাড়ি সীমান্তের আন্তর্জাতিক ৯৩১-এর সাব পিলার-২ এসের পাশে চলে যায়। এ সময় ওই স্থানে টহলরত ভারতের কোচবিহার জেলার অধীন নারায়ণগঞ্জ বিএসএফের টহলদল তাঁকে চোরাকারবারি ভেবে আটক করে। পরে তাঁকে পুলিশে হস্তান্তর করে।
অনেক রাতে বাড়িতে ফিরে ছেলেকে না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন সেলিম মিয়া। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও হদিস না পাননি। ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। গতকাল শনিবার রাতে হঠাৎ ছেলের নম্বর থেকে কল আসে। হিন্দি ভাষায় কথা বলে পরিচয় দেয় ভারতীয় বিএসএফ। এরপর সেলিম ছেলেকে ফেরত পেতে বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পে বিষয়টি জানান। বিজিবি মৌখিকভাবে ভারতের কোচবিহার জেলার নারায়ণগঞ্জ ও করলা বিএসএফ ক্যাম্পে জানালে আজ সকাল ১০টায় উপজেলার বালাতাড়ি সীমান্তে সংক্ষিপ্ত পতাকা বৈঠক হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের কোচবিহার ৯০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন করলা ক্যাম্পের এসআই বিশ্বনাথ।
বিজিবি আটক বাংলাদেশি যুবককে ফেরত চাইলে বিএসএফ জানায়, তাঁকে কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দিনহাটা থানা পুলিশের হেফাজতে দিনহাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন প্রমাণিত হন তবে তাঁকে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন তাঁরা।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হাছেন আলী জানান, লুৎফর রহমান একজন মানসিক রোগী। তিনি বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রি কাজ করেন। চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ জানান, বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আট ওই যুবক চিকিৎসাধীন। তাঁর মানসিক ভারসাম্যহীনতার সত্যতা পাওয়া গেলে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ। এরপরও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে লুৎফর রহমান (২২) নামে এক যুবক নিখোঁজ ছিলেন। আট দিন পর জানা গেল তিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন উপজেলার বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই যুবক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের রাজমিস্ত্রি সেলিম মিয়ার ছেলে। সেলিম মিয়া দাবি করেন, তাঁর ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে বাড়ি যাওয়ার জন্য কাজের স্থান থেকে বেরিয়ে পথ ভুলে সীমান্তে চলে যায়।
স্বজনেরা জানান, সেলিম মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি। ছেলে লুৎফর রহমান তাঁর সঙ্গে জোগালির কাজ করেন। উপজেলার বালাতাড়ি সীমান্ত এলাকার জনৈক মোশারফ হোসেনের বাড়িতে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ঘর নির্মাণের কাজ করছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ করতে অনেক রাত হয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে ছেলে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যায়।
সেলিম মিয়া বলেন, কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ায় ছেলে কিছুটা অভিমান করে। রাতে সীমান্তে ভারতের ফ্ল্যাশ লাইট দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পথ ভুলে বালাতাড়ি সীমান্তের আন্তর্জাতিক ৯৩১-এর সাব পিলার-২ এসের পাশে চলে যায়। এ সময় ওই স্থানে টহলরত ভারতের কোচবিহার জেলার অধীন নারায়ণগঞ্জ বিএসএফের টহলদল তাঁকে চোরাকারবারি ভেবে আটক করে। পরে তাঁকে পুলিশে হস্তান্তর করে।
অনেক রাতে বাড়িতে ফিরে ছেলেকে না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন সেলিম মিয়া। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও হদিস না পাননি। ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। গতকাল শনিবার রাতে হঠাৎ ছেলের নম্বর থেকে কল আসে। হিন্দি ভাষায় কথা বলে পরিচয় দেয় ভারতীয় বিএসএফ। এরপর সেলিম ছেলেকে ফেরত পেতে বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পে বিষয়টি জানান। বিজিবি মৌখিকভাবে ভারতের কোচবিহার জেলার নারায়ণগঞ্জ ও করলা বিএসএফ ক্যাম্পে জানালে আজ সকাল ১০টায় উপজেলার বালাতাড়ি সীমান্তে সংক্ষিপ্ত পতাকা বৈঠক হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের কোচবিহার ৯০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন করলা ক্যাম্পের এসআই বিশ্বনাথ।
বিজিবি আটক বাংলাদেশি যুবককে ফেরত চাইলে বিএসএফ জানায়, তাঁকে কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দিনহাটা থানা পুলিশের হেফাজতে দিনহাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন প্রমাণিত হন তবে তাঁকে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন তাঁরা।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হাছেন আলী জানান, লুৎফর রহমান একজন মানসিক রোগী। তিনি বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রি কাজ করেন। চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হানিফ জানান, বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আট ওই যুবক চিকিৎসাধীন। তাঁর মানসিক ভারসাম্যহীনতার সত্যতা পাওয়া গেলে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ। এরপরও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে