কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিশোরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির পাহারা দিচ্ছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জেলা শহরের মন্দিরগুলোতে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে সারা রাত পাহারায় ছিলেন তাঁরা। এশা ও ফজরের সময় মন্দিরের পাশেই খোলা জায়গায় জামাত আদায় করেন দলের কর্মীরা।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, ‘গতকাল সোমবার থেকে আমরা নেতা-কর্মীদের আশপাশের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছি। তাঁদের মনে সাহস দিতে বলেছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে জামায়াত রয়েছে। জামায়াত মনে করে, সংখ্যালঘু বলে দেশে কিছু নেই, সবাই দেশের নাগরিক। আজ শহরের সকল মন্দির পরিদর্শন করেছি। তাঁদের এই আশ্বাস দিচ্ছি যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে আমরা রয়েছি। হিন্দু-মুসলিম আমরা সবাই ভাই ভাই, এ দেশেরই নাগরিক।’
এদিকে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নাজমুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাবেক অর্থ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, শহর জামায়াতের আমির আনোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি আবু নাঈম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি আনোয়ারুল হক, ছাত্রশিবির জেলা উত্তর শাখার সভাপতি শাহরিয়ার মাহমুদ শাকিল, সেক্রেটারি মোজাহিদ বিল্লাহ, অফিস সম্পাদক নেয়ামত উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক ঈসা মিয়া প্রমুখ।
এ সময় জামায়াত-শিবিরের নেতারা মন্দিরের পুরোহিতদের আশ্বস্ত করেন যে, তাঁদের ওপর কেউ হামলা করতে পারবে না। জামায়াতে ইসলামী তাঁদের পাশে রয়েছে। গতকাল রাতের মতো আর মঙ্গলবার রাতেও তাঁরা মন্দির পাহারায় থাকবেন।

দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিশোরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির পাহারা দিচ্ছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জেলা শহরের মন্দিরগুলোতে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে সারা রাত পাহারায় ছিলেন তাঁরা। এশা ও ফজরের সময় মন্দিরের পাশেই খোলা জায়গায় জামাত আদায় করেন দলের কর্মীরা।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, ‘গতকাল সোমবার থেকে আমরা নেতা-কর্মীদের আশপাশের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছি। তাঁদের মনে সাহস দিতে বলেছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে জামায়াত রয়েছে। জামায়াত মনে করে, সংখ্যালঘু বলে দেশে কিছু নেই, সবাই দেশের নাগরিক। আজ শহরের সকল মন্দির পরিদর্শন করেছি। তাঁদের এই আশ্বাস দিচ্ছি যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশে আমরা রয়েছি। হিন্দু-মুসলিম আমরা সবাই ভাই ভাই, এ দেশেরই নাগরিক।’
এদিকে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নাজমুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাবেক অর্থ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, শহর জামায়াতের আমির আনোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি আবু নাঈম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি আনোয়ারুল হক, ছাত্রশিবির জেলা উত্তর শাখার সভাপতি শাহরিয়ার মাহমুদ শাকিল, সেক্রেটারি মোজাহিদ বিল্লাহ, অফিস সম্পাদক নেয়ামত উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক ঈসা মিয়া প্রমুখ।
এ সময় জামায়াত-শিবিরের নেতারা মন্দিরের পুরোহিতদের আশ্বস্ত করেন যে, তাঁদের ওপর কেউ হামলা করতে পারবে না। জামায়াতে ইসলামী তাঁদের পাশে রয়েছে। গতকাল রাতের মতো আর মঙ্গলবার রাতেও তাঁরা মন্দির পাহারায় থাকবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে