ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভাড়া বাসা থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারী হোটেল শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুর ৩টার দিকে শহরের কাঠপট্টি এলাকার জুয়েল মিয়ার ভবনের তৃতীয় তলা থেকে এ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম—রিনা বেগম (৩৭)। তাঁর গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায়। আটক ব্যক্তি হলেন—দুলাল মিয়া। তিনি নিহতের মামাতো ভাই। তিনিও একজন হোটেলশ্রমিক।
হোটেলের কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে রিনা বেগমের স্বামী মারা যায়। পরে ৫ বছর আগে দুই ছেলে নিয়ে ভৈরবে কাজের সন্ধানে যান। পরে দুলাল মিয়া তাঁর দুই ছেলেসহ রিনা বেগমের চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। এরপর থেকে রিনা বেগম ও দুলাল এক সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, দেড় মাস আগে তারা শহরের কাঠ বাজার জামে মসজিদ রোড এলাকায় জুয়েল মিয়ার বিল্ডিংয়ে তৃতীয় তলায় একটি ইউনিট ভাড়া নেন। দুই রুমের ইউনিটে ২ ছেলে ও মামাতো ভাই দুলাল মিয়াকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন রিনা বেগম। এর আগেও তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে বাসা ভাড়ায় থাকতেন। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুলাল মিয়ার মাধ্যমে স্থানীয়রা জানতে পারেন, বিল্ডিংয়ে রিনা বেগমের লাশ তাঁর শয়নকক্ষে পড়ে আছে। পরে এলাকাবাসী স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে খবর দিলে তিনি পুলিশে খবর দেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রিয়াজ মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাড়ে ১২টায় খবর পাই বাসায় অঘটন ঘটেছে। পরে বাসায় এসে দেখি আমার মায়ের মরদেহ পড়ে আছে।’
রিয়াজ আরও বলেন, ‘আমরা একই বাসায় থাকতাম। আমার মা দুলাল মামার সাথে থাকতেন। তবে, আমরা জানি আমার মাকে দুলাল মিয়া বিয়ে করেছে।’
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনায় দুলাল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও নিহত রিনা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভাড়া বাসা থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারী হোটেল শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুর ৩টার দিকে শহরের কাঠপট্টি এলাকার জুয়েল মিয়ার ভবনের তৃতীয় তলা থেকে এ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম—রিনা বেগম (৩৭)। তাঁর গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায়। আটক ব্যক্তি হলেন—দুলাল মিয়া। তিনি নিহতের মামাতো ভাই। তিনিও একজন হোটেলশ্রমিক।
হোটেলের কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে রিনা বেগমের স্বামী মারা যায়। পরে ৫ বছর আগে দুই ছেলে নিয়ে ভৈরবে কাজের সন্ধানে যান। পরে দুলাল মিয়া তাঁর দুই ছেলেসহ রিনা বেগমের চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। এরপর থেকে রিনা বেগম ও দুলাল এক সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, দেড় মাস আগে তারা শহরের কাঠ বাজার জামে মসজিদ রোড এলাকায় জুয়েল মিয়ার বিল্ডিংয়ে তৃতীয় তলায় একটি ইউনিট ভাড়া নেন। দুই রুমের ইউনিটে ২ ছেলে ও মামাতো ভাই দুলাল মিয়াকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন রিনা বেগম। এর আগেও তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে বাসা ভাড়ায় থাকতেন। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুলাল মিয়ার মাধ্যমে স্থানীয়রা জানতে পারেন, বিল্ডিংয়ে রিনা বেগমের লাশ তাঁর শয়নকক্ষে পড়ে আছে। পরে এলাকাবাসী স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে খবর দিলে তিনি পুলিশে খবর দেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রিয়াজ মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাড়ে ১২টায় খবর পাই বাসায় অঘটন ঘটেছে। পরে বাসায় এসে দেখি আমার মায়ের মরদেহ পড়ে আছে।’
রিয়াজ আরও বলেন, ‘আমরা একই বাসায় থাকতাম। আমার মা দুলাল মামার সাথে থাকতেন। তবে, আমরা জানি আমার মাকে দুলাল মিয়া বিয়ে করেছে।’
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনায় দুলাল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও নিহত রিনা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৪ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৯ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মো. নোমান (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান অফিস এলাকার পাশের একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নোমান পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মজিবর দফাদারের ছেলে
৪১ মিনিট আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের নতুন বাক্তারচর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে আগেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে