প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৫৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুজন মৃত্যু বরণ করেছেন।
জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় এ দুজনের মৃত্যু হয়। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদরে ৫৪, ভৈরবে ৩৩, বাজিতপুরে ২৫, পাকুন্দিয়ায় ২০, কটিয়াদীতে ১১, হোসেনপুরে পাঁচজন, কুলিয়ারচরে চারজন, নিকলী ও ইটনায় দুজন, তাড়াইল ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় একজন রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বর্তমানে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১৯৫ জন। যাদের মধ্যে ১০ জন আইসিইউতে রয়েছেন।
বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ২ হাজার ৭৮৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৮৪ জন হাসপাতালে ও ২ হাজার ৬৯৯ জন হোম আইসোলেশনে রয়েছেন।
জেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত ২ হাজার ৭৮৩ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮৮৪, হোসেনপুরে ২০৭, করিমগঞ্জে ৫৮, তাড়াইলে ৪৩, পাকুন্দিয়ায় ২৪৫, কটিয়াদীতে ৪২১, কুলিয়ারচরে ৬৩, ভৈরবে ৫২৬, নিকলীতে ৪১, বাজিতপুরে ১৮৯, ইটনায় ৩০, মিঠামইনে ৩২ ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৪৪ জন রয়েছেন।
জেলায় করোনা আক্রান্ত মোট মৃত্যু ১৬৩ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৫৯, ভৈরবে ৩০, কটিয়াদী ও বাজিতপুরে ১৩, পাকুন্দিয়ায় ১০, করিমগঞ্জে ৯, হোসেনপুরে ৮, তাড়াইলে ৫, , কুলিয়ারচর ও নিকলীতে ৭, ইটনায় ও মিঠামইন উপজেলায় একজন রয়েছেন। জেলার একমাত্র অষ্টগ্রাম উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই।
এ সময় পর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্ত ৯ হাজার ৭৬৮ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৮২২ এবং মারা গেছেন ১৬৩ জন।

কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৫৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুজন মৃত্যু বরণ করেছেন।
জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় এ দুজনের মৃত্যু হয়। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদরে ৫৪, ভৈরবে ৩৩, বাজিতপুরে ২৫, পাকুন্দিয়ায় ২০, কটিয়াদীতে ১১, হোসেনপুরে পাঁচজন, কুলিয়ারচরে চারজন, নিকলী ও ইটনায় দুজন, তাড়াইল ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় একজন রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বর্তমানে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১৯৫ জন। যাদের মধ্যে ১০ জন আইসিইউতে রয়েছেন।
বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ২ হাজার ৭৮৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৮৪ জন হাসপাতালে ও ২ হাজার ৬৯৯ জন হোম আইসোলেশনে রয়েছেন।
জেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত ২ হাজার ৭৮৩ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮৮৪, হোসেনপুরে ২০৭, করিমগঞ্জে ৫৮, তাড়াইলে ৪৩, পাকুন্দিয়ায় ২৪৫, কটিয়াদীতে ৪২১, কুলিয়ারচরে ৬৩, ভৈরবে ৫২৬, নিকলীতে ৪১, বাজিতপুরে ১৮৯, ইটনায় ৩০, মিঠামইনে ৩২ ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৪৪ জন রয়েছেন।
জেলায় করোনা আক্রান্ত মোট মৃত্যু ১৬৩ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৫৯, ভৈরবে ৩০, কটিয়াদী ও বাজিতপুরে ১৩, পাকুন্দিয়ায় ১০, করিমগঞ্জে ৯, হোসেনপুরে ৮, তাড়াইলে ৫, , কুলিয়ারচর ও নিকলীতে ৭, ইটনায় ও মিঠামইন উপজেলায় একজন রয়েছেন। জেলার একমাত্র অষ্টগ্রাম উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই।
এ সময় পর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্ত ৯ হাজার ৭৬৮ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৮২২ এবং মারা গেছেন ১৬৩ জন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে