খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার রাতে নগরীর হরিণটানা থানার শিকদার মার্কেট এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নারীরা হলেন ফুলতলা উপজেলার রাজঘাট গ্রামের বাসিন্দা সুফিয়া বেগম (৩৭) ও নগরীর হরিণটানা থানা এলাকার শিকদার মার্কেটের পেছনের বাসিন্দা রুবি বেগম (৪৭)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড সিপি) খোন্দকার হোসেন আহম্মদ জানান, গত রোববার সকালে ব্যাগ বিক্রির কথা বলে অপহরণকারী চক্র ব্যবসায়ী আলী আক্কাস শেখের সঙ্গে নগরীর জিরো পয়েন্ট মোড়ে দেখা করে।
পরে ব্যবসায়িক কথাবার্তা বলে তাঁকে একটি ভ্যানে শিকদার মার্কেটের সামনে নিয়ে যায়। ভ্যানচালক চলে যাওয়ার পর আলী আক্কাস শেখকে ধারালো ছুরি ও চাকু বের করে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে শিকদার মার্কেটের বিপরীতে রুবি বেগমের বাসায় নিয়ে যায়।
সেখানে আলী আক্কাস শেখকে একটি কক্ষে আটক রেখে তারা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করলে অপহরণকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে ভয় দেখাতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি বিকাশের মাধ্যমে অপহরণকারী চক্রকে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা দেন।
মুক্তিপণের টাকা পেয়ে অপহরণকারীরা গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আলী আক্কাস শেখকে বাইপাস রোড দিয়ে সোনাডাঙ্গা অভিমুখে কিছু দূর গিয়ে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়।
এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার নগরীর হরিণটানা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরে পুলিশের একটি বিশেষ টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতেই অপহরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তসহ চক্রের নারী সদস্য সুফিয়া বেগম ও রুবি বেগমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মুক্তিপণের ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপহরণের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

খুলনায় ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার রাতে নগরীর হরিণটানা থানার শিকদার মার্কেট এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নারীরা হলেন ফুলতলা উপজেলার রাজঘাট গ্রামের বাসিন্দা সুফিয়া বেগম (৩৭) ও নগরীর হরিণটানা থানা এলাকার শিকদার মার্কেটের পেছনের বাসিন্দা রুবি বেগম (৪৭)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড সিপি) খোন্দকার হোসেন আহম্মদ জানান, গত রোববার সকালে ব্যাগ বিক্রির কথা বলে অপহরণকারী চক্র ব্যবসায়ী আলী আক্কাস শেখের সঙ্গে নগরীর জিরো পয়েন্ট মোড়ে দেখা করে।
পরে ব্যবসায়িক কথাবার্তা বলে তাঁকে একটি ভ্যানে শিকদার মার্কেটের সামনে নিয়ে যায়। ভ্যানচালক চলে যাওয়ার পর আলী আক্কাস শেখকে ধারালো ছুরি ও চাকু বের করে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে শিকদার মার্কেটের বিপরীতে রুবি বেগমের বাসায় নিয়ে যায়।
সেখানে আলী আক্কাস শেখকে একটি কক্ষে আটক রেখে তারা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করলে অপহরণকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে ভয় দেখাতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি বিকাশের মাধ্যমে অপহরণকারী চক্রকে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা দেন।
মুক্তিপণের টাকা পেয়ে অপহরণকারীরা গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আলী আক্কাস শেখকে বাইপাস রোড দিয়ে সোনাডাঙ্গা অভিমুখে কিছু দূর গিয়ে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়।
এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার নগরীর হরিণটানা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরে পুলিশের একটি বিশেষ টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতেই অপহরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তসহ চক্রের নারী সদস্য সুফিয়া বেগম ও রুবি বেগমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মুক্তিপণের ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপহরণের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে