খুবি প্রতিনিধি

সম্প্রতি বাংলাদেশে ত্বীন (ফিকাস ক্যারিকা) ফলের চাষাবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ত্বীন ফল চাষের জন্য উপযোগী। তাই কৃষিতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন দ্বার খুলবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ত্বীন ফল চাষাবাদের উপযুক্ততা ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়নে একটি পিএইচডি গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দীন খানের তত্ত্বাবধানে গবেষণাটি করেছেন একই ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (এল আর) রুবায়েত আরা। সহ-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মান্নান। প্রায় তিন বছর ধরে গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়।
গবেষকরা বলেন, ‘ত্বীন ফল ভারী কাদা, দো-আঁশ, বেলে দোআঁশ এবং হালকা বালুর মতো বিস্তৃত মাটিতে ভালোভাবে জন্মানো যায়। এর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য উপক্রান্তীয় এবং হালকা জলবায়ু প্রয়োজন। এছাড়া ফল উৎপাদনের জন্য শুষ্ক জলবায়ুসহ হালকা বৃষ্টিপাত প্রয়োজন এবং এটি পাকার জন্য কমপক্ষে আট ঘণ্টা দিনের আলো প্রয়োজন। বাংলাদেশে এ জলবায়ু পরিস্থিতির প্রায় সবকটিই বিরাজ করছে। তাই সঠিক পদ্ধতি মেনে চাষাবাদ করতে পারলে কৃষিতে কর্মসংস্থান তৈরি ও বৈদেশিক আয়ের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’
গবেষণার জন্য চাষ করতে গিয়ে দেখা গেছে, লবণাক্ত ও অ-লবণাক্ত জমিতে গাছের বৃদ্ধি বা ফলনের তারতম্য খুব বেশি নয়। এটি ১০ ডিএস/এম’র অধিক মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল বলেও প্রতীয়মান হয়েছে। সাধারণত মাটিতে ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত লবণাক্ততা বেশি থাকে। তবুও এতে টিকে থাকতে পারে ত্বীন ফলের গাছ। তাই অনায়াসেই উপকূলীয় অঞ্চলে চাষাবাদ করা যাবে এটি। এছাড়া কোনো রাসায়নিক সার ছাড়াই মাটিতে জৈব ও কম্পোস্ট সার মিশিয়ে ত্বীন চাষে সাফল্য পাওয়া গেছে।
এর আগে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল খুলনার অপেশাদার বাগান মালিকরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে সংগ্রহ করা ত্বীন চাষের চেষ্টা করেছিলেন। যা এ অঞ্চলে প্রাথমিকভাবে এ ফসলের চাষের সম্ভাবনা দেখায়।
গবেষক রুবায়েত আরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফলটি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করতে গেলে কৃষকরা বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রথমত এর চাষাবাদ পদ্ধতি এখনো এদেশে পরিচিত হয়ে ওঠেনি। চাষের উপকরণ ও বীজ সহজলভ্য নয় বরং যারা চারা সংগ্রহ ও বিক্রির কাজ করছেন তারা যথেচ্ছা আচরণ করছেন। পাশাপাশি সার প্রয়োগের মাত্রা ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ সম্পর্কে এখনো কৃষকরা পুরোপুরি জানেন না। সংগ্রহোত্তর (পোস্ট হারভেস্ট) পরিচর্যা সম্পর্কেও সঠিক জ্ঞান না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ড. শামীম আহমেদ বলেন, ‘ত্বীন ফলের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো জলাবদ্ধতা। তাই এটি চাষ করতে হলে মাটির উঁচু ঢিবি তৈরি করে দিতে হবে। অথবা নালা পদ্ধতিতে চার-ছয় ফুট দূরত্বে রোপণ করতে হবে।’
ড. শামীম আহমেদ আরও বলেন, ‘ত্বীন মধ্যপ্রাচ্যের ফল হলেও এটি সেখানে বছরে মাত্র একবার ফল দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে সারা বছর প্রায় একই রকম ফলন পাওয়া যায়।’

সম্প্রতি বাংলাদেশে ত্বীন (ফিকাস ক্যারিকা) ফলের চাষাবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ত্বীন ফল চাষের জন্য উপযোগী। তাই কৃষিতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন দ্বার খুলবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ত্বীন ফল চাষাবাদের উপযুক্ততা ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়নে একটি পিএইচডি গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দীন খানের তত্ত্বাবধানে গবেষণাটি করেছেন একই ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (এল আর) রুবায়েত আরা। সহ-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মান্নান। প্রায় তিন বছর ধরে গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়।
গবেষকরা বলেন, ‘ত্বীন ফল ভারী কাদা, দো-আঁশ, বেলে দোআঁশ এবং হালকা বালুর মতো বিস্তৃত মাটিতে ভালোভাবে জন্মানো যায়। এর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য উপক্রান্তীয় এবং হালকা জলবায়ু প্রয়োজন। এছাড়া ফল উৎপাদনের জন্য শুষ্ক জলবায়ুসহ হালকা বৃষ্টিপাত প্রয়োজন এবং এটি পাকার জন্য কমপক্ষে আট ঘণ্টা দিনের আলো প্রয়োজন। বাংলাদেশে এ জলবায়ু পরিস্থিতির প্রায় সবকটিই বিরাজ করছে। তাই সঠিক পদ্ধতি মেনে চাষাবাদ করতে পারলে কৃষিতে কর্মসংস্থান তৈরি ও বৈদেশিক আয়ের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’
গবেষণার জন্য চাষ করতে গিয়ে দেখা গেছে, লবণাক্ত ও অ-লবণাক্ত জমিতে গাছের বৃদ্ধি বা ফলনের তারতম্য খুব বেশি নয়। এটি ১০ ডিএস/এম’র অধিক মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল বলেও প্রতীয়মান হয়েছে। সাধারণত মাটিতে ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত লবণাক্ততা বেশি থাকে। তবুও এতে টিকে থাকতে পারে ত্বীন ফলের গাছ। তাই অনায়াসেই উপকূলীয় অঞ্চলে চাষাবাদ করা যাবে এটি। এছাড়া কোনো রাসায়নিক সার ছাড়াই মাটিতে জৈব ও কম্পোস্ট সার মিশিয়ে ত্বীন চাষে সাফল্য পাওয়া গেছে।
এর আগে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল খুলনার অপেশাদার বাগান মালিকরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে সংগ্রহ করা ত্বীন চাষের চেষ্টা করেছিলেন। যা এ অঞ্চলে প্রাথমিকভাবে এ ফসলের চাষের সম্ভাবনা দেখায়।
গবেষক রুবায়েত আরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফলটি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করতে গেলে কৃষকরা বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রথমত এর চাষাবাদ পদ্ধতি এখনো এদেশে পরিচিত হয়ে ওঠেনি। চাষের উপকরণ ও বীজ সহজলভ্য নয় বরং যারা চারা সংগ্রহ ও বিক্রির কাজ করছেন তারা যথেচ্ছা আচরণ করছেন। পাশাপাশি সার প্রয়োগের মাত্রা ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ সম্পর্কে এখনো কৃষকরা পুরোপুরি জানেন না। সংগ্রহোত্তর (পোস্ট হারভেস্ট) পরিচর্যা সম্পর্কেও সঠিক জ্ঞান না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ড. শামীম আহমেদ বলেন, ‘ত্বীন ফলের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো জলাবদ্ধতা। তাই এটি চাষ করতে হলে মাটির উঁচু ঢিবি তৈরি করে দিতে হবে। অথবা নালা পদ্ধতিতে চার-ছয় ফুট দূরত্বে রোপণ করতে হবে।’
ড. শামীম আহমেদ আরও বলেন, ‘ত্বীন মধ্যপ্রাচ্যের ফল হলেও এটি সেখানে বছরে মাত্র একবার ফল দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে সারা বছর প্রায় একই রকম ফলন পাওয়া যায়।’

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
৮ মিনিট আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১১ মিনিট আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
২৬ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে