নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা থেকে

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। দ্বিতীয় মেয়াদে নগরভবনে বসতে যাচ্ছেন তিনি। তবে আওয়ামী লীগের এই নেতা নৌকা প্রতীকে গতবারের চেয়ে ২২ হাজার ৭৭ ভোট কম পেয়েছেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনে খুলনা সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। মোট ভোট পড়েছিল ৫৭ শতাংশ। সেসময় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তালুকদার খালেক পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট ও বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছিলেন ১ লাখ ৯ হাজার ২৫১ ভোট।
ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুজ্জাম্মিল হক ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট পান। জাতীয় পার্টির এসএম মুশফিকুর রহমান পেয়েছিলেন ১ হাজার ৭২ ভোট।
তবে এবার ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী বদলেছেন। যুক্ত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি ও জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেয়নি।
এবার খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।
খুলনায় এবার ভোট পড়েছে ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে এসএম সাব্বির হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ালঘড়ি প্রতীকে এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট।
তবে ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবারের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। দ্বিতীয় মেয়াদে নগরভবনে বসতে যাচ্ছেন তিনি। তবে আওয়ামী লীগের এই নেতা নৌকা প্রতীকে গতবারের চেয়ে ২২ হাজার ৭৭ ভোট কম পেয়েছেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনে খুলনা সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। মোট ভোট পড়েছিল ৫৭ শতাংশ। সেসময় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তালুকদার খালেক পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট ও বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছিলেন ১ লাখ ৯ হাজার ২৫১ ভোট।
ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুজ্জাম্মিল হক ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট পান। জাতীয় পার্টির এসএম মুশফিকুর রহমান পেয়েছিলেন ১ হাজার ৭২ ভোট।
তবে এবার ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী বদলেছেন। যুক্ত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি ও জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেয়নি।
এবার খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।
খুলনায় এবার ভোট পড়েছে ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে এসএম সাব্বির হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ালঘড়ি প্রতীকে এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট।
তবে ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবারের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ‘প্রশ্নপত্রের’ ফটোকপিসহ আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
ঢাকায় অবস্থানরত যশোর জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন যশোর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
৩২ মিনিট আগে
আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, তারেক রহমান যেদিন দেশে ফিরবেন এবং বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে, সেদিনই আমি ভাত খাব। তার আগে না। এতে আমার জীবন চলে গেলেও কোনো আফসোস নেই।
৩৫ মিনিট আগে
জাজিরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম। একই সঙ্গে কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিরাপদভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে