
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। রিকশাওয়ালা পর্যন্ত আইন মানতে চায় না। অসহিষ্ণুতা এক দিনে হয়নি। আগে এমন ছিল না। যারা করছে, তাদের একটা উদ্দেশ্য আছে। নারীদেরও অসম্মান করা হচ্ছে। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। না পারলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আমাদের সন্তানেরাও এই আচরণে আক্রান্ত হতে পারে।’
আজ সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কেএমপি কমিশনার বলেন, খুলনায় যেখানে-সেখানে জটলা, আইন না মানার প্রবণতা, অটোরিকশাচালকেরা পেশাগত দক্ষ নন। তাঁরা কৃষি থেকে আসা। রাস্তা দখলে নিয়ে ব্যবসা, যানবাহন রাখা হয়। পুলিশ কিছু বলতে গেলে উল্টো চড়াও হয়। খুলনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক আন্দোলন দরকার। অপরাধ রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরওয়ারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল বেলা ১টার দিকে পেয়ারা দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়ির সামনে থেকে শিশুটিকে ডেকে নেয় ওই কিশোর। পরে স্থানীয় একটি ভবনের পেছনের ফাঁকা জায়গায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। শিশুটি কিছু সময় পর বাড়িতে গেলে গোসলের সময় তার মা বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে সে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়।
১৬ মিনিট আগে
চাঁদপুরে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়া চানাচুর ও আচার উৎপাদন, মোড়কজাত এবং বাজারজাত করার দায়ে ‘আল মদিনা ফুড প্রোডাক্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মালিক মো. শুক্কুরকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নরসিয়া গ্রামে একটি বাড়িতে মজুত করে রাখা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার সন্ধ্যার দিকে একের পর এক বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাড়িটির দেয়াল, টিনের চালাসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজধানীর মানিকদীতে আবাসন প্রকল্প এলাকায় অন্তত তিনবার হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জমির দখল ও পাল্টা দখল নিয়ে আবাসন কোম্পানিগুলো এই সংঘর্ষে জড়ায়। এসব আবাসন কোম্পানির পেছনে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও রাজনীতিকেরা রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে