প্রতিনিধি

খুলনা: খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৮৪৮ জন। এই পর্যন্ত বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৯৫৩ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৯৬৫ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া ও যশোরে। কুষ্টিয়ার ৫ জন, যশোরের ৫ জন, খুলনার দুজন, ঝিনাইদহের একজন ও মেহেরপুরের একজন মারা গেছেন।
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৯৬৫ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৬ হাজার ১২৫ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ১৭২ জন, বাগেরহাটে ১৫ জন, সাতক্ষীরায় ৪৩ জন, যশোরে ৪৭০ জন, নড়াইলে ৯ জন, মাগুরায় ৮ জন, ঝিনাইদহে ১৪ জন, কুষ্টিয়ায় ৭৭ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২৪ জন, মেহেরপুরে ১৬ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে খুলনায় করোনা সংক্রমণ রোধে গত ২২ জুন থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন। লকডাউনের সময় প্রশাসন রয়েছে তৎপর। নগরীতে ৩৮টি পয়েন্টে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তল্লাশি পয়েন্ট করেছে। অপ্রয়োজনে কেউ বের হলে তাঁদের ঘরে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ১৮টি মোবাইল টিম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হচ্ছে খুলনাতে।
অপরদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন শুধুমাত্র লকডাউন বা চিকিৎসা সেবা দিয়ে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন স্বাস্থ্য বিধি মানা।
এ প্রসঙ্গে খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদি নেওয়াজ বলেন, প্রতিদিনই করোনা রোগী বাড়ছে। মানুষ সচেতন না হলে আরও বাড়বে। এই জন্য লকডাউন প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন মানুষের সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য বিধি মানা। মানুষ সচেতন না হলে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. কাজী আবু রাশেদ বলেন, চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে, দেওয়া হচ্ছে লকডাউন, কিন্তু রোগীর সংখ্যা কমেনি। তার কারণ মানুষ সচেতন না। কারণে অকারণে মানুষ বের হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিধি মানছেনা। মানুষ সচেতন না হলে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তিনি মানুষকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন।
এদিকে করোনা রোধে খুলনা জেলায় সপ্তাহ ব্যাপী কঠোর লকডাউনের আজ পঞ্চম দিন। লকডাউনে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন রয়েছে তৎপর। চিকিৎসা সেবা দিয়ে করোনা প্রতিরোধ সম্ভব নয়, প্রয়োজন স্বাস্থ্য বিধি মানা।

খুলনা: খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৮৪৮ জন। এই পর্যন্ত বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৯৫৩ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৯৬৫ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া ও যশোরে। কুষ্টিয়ার ৫ জন, যশোরের ৫ জন, খুলনার দুজন, ঝিনাইদহের একজন ও মেহেরপুরের একজন মারা গেছেন।
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৯৬৫ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৬ হাজার ১২৫ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ১৭২ জন, বাগেরহাটে ১৫ জন, সাতক্ষীরায় ৪৩ জন, যশোরে ৪৭০ জন, নড়াইলে ৯ জন, মাগুরায় ৮ জন, ঝিনাইদহে ১৪ জন, কুষ্টিয়ায় ৭৭ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২৪ জন, মেহেরপুরে ১৬ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে খুলনায় করোনা সংক্রমণ রোধে গত ২২ জুন থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন। লকডাউনের সময় প্রশাসন রয়েছে তৎপর। নগরীতে ৩৮টি পয়েন্টে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তল্লাশি পয়েন্ট করেছে। অপ্রয়োজনে কেউ বের হলে তাঁদের ঘরে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ১৮টি মোবাইল টিম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হচ্ছে খুলনাতে।
অপরদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন শুধুমাত্র লকডাউন বা চিকিৎসা সেবা দিয়ে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন স্বাস্থ্য বিধি মানা।
এ প্রসঙ্গে খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদি নেওয়াজ বলেন, প্রতিদিনই করোনা রোগী বাড়ছে। মানুষ সচেতন না হলে আরও বাড়বে। এই জন্য লকডাউন প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন মানুষের সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য বিধি মানা। মানুষ সচেতন না হলে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. কাজী আবু রাশেদ বলেন, চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে, দেওয়া হচ্ছে লকডাউন, কিন্তু রোগীর সংখ্যা কমেনি। তার কারণ মানুষ সচেতন না। কারণে অকারণে মানুষ বের হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিধি মানছেনা। মানুষ সচেতন না হলে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তিনি মানুষকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন।
এদিকে করোনা রোধে খুলনা জেলায় সপ্তাহ ব্যাপী কঠোর লকডাউনের আজ পঞ্চম দিন। লকডাউনে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন রয়েছে তৎপর। চিকিৎসা সেবা দিয়ে করোনা প্রতিরোধ সম্ভব নয়, প্রয়োজন স্বাস্থ্য বিধি মানা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক...
১৭ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
৩০ মিনিট আগে
গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে জন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
৪০ মিনিট আগে