কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ঘাস কাটতে গিয়ে প্রায় ৪ ফিট উচ্চতার এক রাসেলস ভাইপার সাপকে আধমরা করেন এক কৃষক। পরে স্থানীয় লোকজন সাপটির গলায় প্লাস্টিকের দড়ি পেঁচিয়ে সাড়ে চার ঘণ্টা গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। সাপটির পেটে বাচ্চা আছে কি না তা দেখতে সাপটির পেট ব্লেড দিয়ে কাটেন এক পশুচিকিৎসক। এরপর সাপটিকে পুড়িয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
এ ঘটনা কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে। আজ মঙ্গলবার সকালে এক কৃষক ঘাস কাটতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় উৎসুক জনতা সাপটিকে দেখতে ভিড় করে। সেই দৃশ্যর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পক্ষে ও বিপক্ষে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টিকে অমানবিক ও আইনবিরোধী বলে দাবি করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পরিবেশবিদেরা।
আর গ্রামবাসী বলছেন, সাপটি ভয়ংকর ও বিষধর হওয়ায় লোকজনের মাঝে পরিচিত করতে এবং সবাইকে সচেতন করতে গাছে ঝুলিয়ে মারা হয়েছে।
উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান জানান, এভাবে একটি বন্য প্রাণীকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পর পেট চেরার ঘটনাটি আইনবিরোধী ও ন্যক্কারজনক। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে কল্যাণপুর এলাকার মোক্তার হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান নিজ জমিতে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ঘাসের জমিতে একটি রাসেলস ভাইপার সাপ দেখতে পান। এরপর হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে আঘাত করে আধমরা করেন এবং তাঁর ভাই নাসির উদ্দিনকে ফোন দেন।
পরে স্থানীয়রা সাপটিকে বটতলা নামক স্থানে নিয়ে এসে একটি গাছে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখেন। এরপর সাপটির পেটে আরও বাচ্চা আছে কি না তা দেখতে পেট চিরেন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক। এরপর সাপটিকে পুড়িয়ে মাটাচাপা দেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, নিজ জমিতে ঘাস কাটার সময় সাপটি তাঁর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল। সে সময় তিনি হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে আধমরা করেন। এরপর ফোনে স্থানীয়দের ডাকেন তিনি।
বটতলা এলাকার মুদিদোকানি মো. বকুল হোসেন জানান, সাপটি বিষধর ও ভয়ংকর। সে জন্য জনগণকে সচেতন করতে এবং পরিচিতি বাড়াতে সাপটিকে সবাই মিলে অনেকক্ষণ গাছে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।
এভাবে ব্লেড দিয়ে সাপটির পেট চেরা ভুল হয়েছে জানিয়ে পশুচিকিৎসক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাপটির পেট মোটা ছিল। পেটে বাচ্চা আছে কি না তা দেখার জন্য সবাই তাঁকে পেট চেরার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
এটিকে বন ও প্রাণী সংরক্ষণ আইনবিরোধী বলে জানান বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সহসভাপতি সাহাবউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এভাবে আমরা প্রকৃতিকে ধ্বংস করছি। ভবিষ্যতে এর ক্ষতিপূরণ কোনো দিন শোধ হবে না।’
এমন ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম। তিনি জানান, মানুষ আতঙ্কে অনেক কিছু করে ফেলেন। সকলকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ঘাস কাটতে গিয়ে প্রায় ৪ ফিট উচ্চতার এক রাসেলস ভাইপার সাপকে আধমরা করেন এক কৃষক। পরে স্থানীয় লোকজন সাপটির গলায় প্লাস্টিকের দড়ি পেঁচিয়ে সাড়ে চার ঘণ্টা গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। সাপটির পেটে বাচ্চা আছে কি না তা দেখতে সাপটির পেট ব্লেড দিয়ে কাটেন এক পশুচিকিৎসক। এরপর সাপটিকে পুড়িয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
এ ঘটনা কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে। আজ মঙ্গলবার সকালে এক কৃষক ঘাস কাটতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় উৎসুক জনতা সাপটিকে দেখতে ভিড় করে। সেই দৃশ্যর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পক্ষে ও বিপক্ষে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টিকে অমানবিক ও আইনবিরোধী বলে দাবি করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পরিবেশবিদেরা।
আর গ্রামবাসী বলছেন, সাপটি ভয়ংকর ও বিষধর হওয়ায় লোকজনের মাঝে পরিচিত করতে এবং সবাইকে সচেতন করতে গাছে ঝুলিয়ে মারা হয়েছে।
উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান জানান, এভাবে একটি বন্য প্রাণীকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পর পেট চেরার ঘটনাটি আইনবিরোধী ও ন্যক্কারজনক। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে কল্যাণপুর এলাকার মোক্তার হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান নিজ জমিতে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ঘাসের জমিতে একটি রাসেলস ভাইপার সাপ দেখতে পান। এরপর হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে আঘাত করে আধমরা করেন এবং তাঁর ভাই নাসির উদ্দিনকে ফোন দেন।
পরে স্থানীয়রা সাপটিকে বটতলা নামক স্থানে নিয়ে এসে একটি গাছে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখেন। এরপর সাপটির পেটে আরও বাচ্চা আছে কি না তা দেখতে পেট চিরেন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক। এরপর সাপটিকে পুড়িয়ে মাটাচাপা দেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, নিজ জমিতে ঘাস কাটার সময় সাপটি তাঁর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল। সে সময় তিনি হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে আধমরা করেন। এরপর ফোনে স্থানীয়দের ডাকেন তিনি।
বটতলা এলাকার মুদিদোকানি মো. বকুল হোসেন জানান, সাপটি বিষধর ও ভয়ংকর। সে জন্য জনগণকে সচেতন করতে এবং পরিচিতি বাড়াতে সাপটিকে সবাই মিলে অনেকক্ষণ গাছে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।
এভাবে ব্লেড দিয়ে সাপটির পেট চেরা ভুল হয়েছে জানিয়ে পশুচিকিৎসক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাপটির পেট মোটা ছিল। পেটে বাচ্চা আছে কি না তা দেখার জন্য সবাই তাঁকে পেট চেরার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
এটিকে বন ও প্রাণী সংরক্ষণ আইনবিরোধী বলে জানান বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সহসভাপতি সাহাবউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এভাবে আমরা প্রকৃতিকে ধ্বংস করছি। ভবিষ্যতে এর ক্ষতিপূরণ কোনো দিন শোধ হবে না।’
এমন ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম। তিনি জানান, মানুষ আতঙ্কে অনেক কিছু করে ফেলেন। সকলকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, সম্প্রতি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে এই অগ্নিসংযোগ করে।
১১ মিনিট আগে
মিঠামইনে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় অবহেলার অভিযোগে তিন চেয়ারম্যানকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রশাসক নিয়োগ করেছে জেলা প্রশাসক। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
২৫ মিনিট আগে
ভোলা সদর উপজেলায় বন্ধন হেলথ কেয়ার অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টার নামের একটি ক্লিনিকে ভুল গ্রুপের রক্ত সঞ্চালন করায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মারা যাওয়া রোগীর নাম লামিয়া আক্তার। এ ঘটনায় তাঁর স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। নবজাতক সুস্থ আছে বলে জানা গেছে। ওই নারীর মৃত্যুর পরপরই জেলা
৩২ মিনিট আগে
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সদস্যসচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবুকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে