প্রতিনিধি, বাঘারপাড়া (যশোর)

যশোরের বাঘারপাড়ায় বিরল প্রজাতির দুটি মুরলি মাছ ধরা পড়েছে। মাছ দুটির ওজন ১০৪ কেজি। আজ শুক্রবার সকালে মাছ দুটি বাঘারপাড়া বাজারে ‘জয় মৎস্য ভান্ডারে’ আনা হয়।
জয় মৎস্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী অসীম বিশ্বাস বলেন, ‘সামুদ্রিক এই মাছ দুটি বাঘারপাড়া বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে। কিন্তু মাছ দুটি বিক্রি না হওয়ায় নড়াইলে পাঠানো হয়েছে।’
অসীম বিশ্বাস আরও বলেন, এই মাছের কেজি ৪০০ টাকার মতো। স্থানীয় লোকজন মাছটিকে মুরলি নামে চিনে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা জানান, সামুদ্রিক মাছটি স্থানীয় লোকজন মুরলি নামে চিনলেও বৈজ্ঞানিক নাম মাইলিওবাটোইদেই। এ মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু।

যশোরের বাঘারপাড়ায় বিরল প্রজাতির দুটি মুরলি মাছ ধরা পড়েছে। মাছ দুটির ওজন ১০৪ কেজি। আজ শুক্রবার সকালে মাছ দুটি বাঘারপাড়া বাজারে ‘জয় মৎস্য ভান্ডারে’ আনা হয়।
জয় মৎস্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী অসীম বিশ্বাস বলেন, ‘সামুদ্রিক এই মাছ দুটি বাঘারপাড়া বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে। কিন্তু মাছ দুটি বিক্রি না হওয়ায় নড়াইলে পাঠানো হয়েছে।’
অসীম বিশ্বাস আরও বলেন, এই মাছের কেজি ৪০০ টাকার মতো। স্থানীয় লোকজন মাছটিকে মুরলি নামে চিনে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা জানান, সামুদ্রিক মাছটি স্থানীয় লোকজন মুরলি নামে চিনলেও বৈজ্ঞানিক নাম মাইলিওবাটোইদেই। এ মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে