ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

তিন বছর পর সরকারি কর্মচারীদের বদলির বিধান রয়েছে। তবে ভিন্ন বিধান বাস্তবায়ন করেছেন ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন। এক আওয়ামী লীগ নেতার প্রভাবে তিনি এ পৌরসভায় দেড় যুগের (১৮ বছর) বেশি সময় চাকরি করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, মেয়র আর পৌরসভার কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে কামাল গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এর মাধ্যমে বানিয়েছেন বিপুল সম্পদ। কুষ্টিয়া শহরে ৩ ও ৫ তলা দুটি বাড়ি, ঢাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটসহ ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে রয়েছে অঢেল সম্পত্তি। চড়েন দামি গাড়িতে। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী কামাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। কিন্তু তিনি শৈলকুপা পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করে ১৯৯২ সালে শৈলকুপা পৌরসভায় উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। চাকরিজীবনের শুরুতে তাঁর বেতন ছিল ৩ হাজার ৭২৫ টাকা। ১৯৯৮ সালে শৈলকুপা পৌরসভা থেকে যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভায় বদলি হন কামাল। পরে বদলি হয়ে আসেন ঝিনাইদহ পৌরসভায়। একসময় পৌরসভার সাবেক মেয়র ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।
তাঁর আশীর্বাদে পদোন্নতি পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী হয়ে যান কামাল। শুরু হয় তাঁর দুর্নীতি আর অর্থ আত্মসাতের রাজত্ব। পৌরসভার একাধিক সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার সোলার লাইট প্রকল্পের দুই কিস্তির ৭ কোটি টাকা তছরুপ করেছেন কামাল উদ্দিন। নিয়মিত রোলার গাড়ি ভাড়া দেওয়া হলেও তার অর্থ সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী বলেন, সাবেক মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের সময়ে ৪৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করা হয়। সেই প্রকল্পের টাকার ৩ শতাংশ ঘুষ নেন কামালসহ আরও দুই কর্মকর্তা। এ ছাড়া পৌরসভার উন্নয়নকাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে অধিকাংশ কাজ দেন সাবেক মেয়র হিজলের নিকটাত্মীয় কুমারখালীর ঠিকাদার নাঈম হোসেনকে। এর বিনিময়ে কামাল আর্থিকভাবে সুবিধা নিতেন। ওই কর্মচারীর দাবি, প্রায়ই কামাল সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কারযোগে অফিসে আসেন। সেটির মালিক ঠিকাদার নাঈম।
গত ১৮ আগস্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন পৌরসভার বাসিন্দা আনোয়ারুজ্জামান। সম্প্রতি এ তথ্য জানাজানি হয়। ওই অভিযোগে বলা হয়, মেয়র হিজলের সময়ে প্রতি মাসে পৌরসভার বৈদ্যুতিক বাল্ব কেনার কথা বলে ১৫ থেকে ২২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন কামাল। এর প্রায় সব টাকাই আত্মসাৎ করা হয়েছে।
আনোয়ারুজ্জামান বলেন, ‘একজন ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা কীভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হন। তাঁর বেতন মাসে ১ লাখ টাকা হলেও কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া সম্ভব না; যদি তিনি দুর্নীতি না করেন।’ কামালের সম্পদের উৎস খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আর আমার যা সম্পত্তি আছে, তা আমার পারিবারিক ও চাকরির টাকা দিয়ে করা। একটি মহল আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এসব অসত্য তথ্য ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে।’

তিন বছর পর সরকারি কর্মচারীদের বদলির বিধান রয়েছে। তবে ভিন্ন বিধান বাস্তবায়ন করেছেন ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন। এক আওয়ামী লীগ নেতার প্রভাবে তিনি এ পৌরসভায় দেড় যুগের (১৮ বছর) বেশি সময় চাকরি করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, মেয়র আর পৌরসভার কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে কামাল গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এর মাধ্যমে বানিয়েছেন বিপুল সম্পদ। কুষ্টিয়া শহরে ৩ ও ৫ তলা দুটি বাড়ি, ঢাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটসহ ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে রয়েছে অঢেল সম্পত্তি। চড়েন দামি গাড়িতে। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী কামাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। কিন্তু তিনি শৈলকুপা পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করে ১৯৯২ সালে শৈলকুপা পৌরসভায় উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। চাকরিজীবনের শুরুতে তাঁর বেতন ছিল ৩ হাজার ৭২৫ টাকা। ১৯৯৮ সালে শৈলকুপা পৌরসভা থেকে যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভায় বদলি হন কামাল। পরে বদলি হয়ে আসেন ঝিনাইদহ পৌরসভায়। একসময় পৌরসভার সাবেক মেয়র ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।
তাঁর আশীর্বাদে পদোন্নতি পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী হয়ে যান কামাল। শুরু হয় তাঁর দুর্নীতি আর অর্থ আত্মসাতের রাজত্ব। পৌরসভার একাধিক সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার সোলার লাইট প্রকল্পের দুই কিস্তির ৭ কোটি টাকা তছরুপ করেছেন কামাল উদ্দিন। নিয়মিত রোলার গাড়ি ভাড়া দেওয়া হলেও তার অর্থ সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী বলেন, সাবেক মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের সময়ে ৪৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করা হয়। সেই প্রকল্পের টাকার ৩ শতাংশ ঘুষ নেন কামালসহ আরও দুই কর্মকর্তা। এ ছাড়া পৌরসভার উন্নয়নকাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে অধিকাংশ কাজ দেন সাবেক মেয়র হিজলের নিকটাত্মীয় কুমারখালীর ঠিকাদার নাঈম হোসেনকে। এর বিনিময়ে কামাল আর্থিকভাবে সুবিধা নিতেন। ওই কর্মচারীর দাবি, প্রায়ই কামাল সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কারযোগে অফিসে আসেন। সেটির মালিক ঠিকাদার নাঈম।
গত ১৮ আগস্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন পৌরসভার বাসিন্দা আনোয়ারুজ্জামান। সম্প্রতি এ তথ্য জানাজানি হয়। ওই অভিযোগে বলা হয়, মেয়র হিজলের সময়ে প্রতি মাসে পৌরসভার বৈদ্যুতিক বাল্ব কেনার কথা বলে ১৫ থেকে ২২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন কামাল। এর প্রায় সব টাকাই আত্মসাৎ করা হয়েছে।
আনোয়ারুজ্জামান বলেন, ‘একজন ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা কীভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হন। তাঁর বেতন মাসে ১ লাখ টাকা হলেও কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া সম্ভব না; যদি তিনি দুর্নীতি না করেন।’ কামালের সম্পদের উৎস খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আর আমার যা সম্পত্তি আছে, তা আমার পারিবারিক ও চাকরির টাকা দিয়ে করা। একটি মহল আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এসব অসত্য তথ্য ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে।’

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
৬ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৩ মিনিট আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩২ মিনিট আগে