ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না আশরাফুল আলম (হিরো আলম)। আজ শুক্রবার দুপুরে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। এর আগে সোমবার ওই আসনে উপনির্বাচনের অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দেন তিনি। এ দিন হিরো আলমের এ বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও আসে।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহ-১ আসনের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তখন তাঁরা আমাকে বলেছেন-সবাই আমাকে চেনেন, আমি তাদের কাছে প্রিয় এবং পরিচিত মুখ। সেখানকার জনসাধারণ বলেছেন-নির্বাচনে তারা সাহায্য সহযোগিতা করবেন। আমি আমার প্রতি তাদের ভালোবাসা দেখে সেখানে উপনির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হয়েছি।’
এ সংবাদ প্রচার হওয়ার পর থেকেই জেলাজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। শুক্রবার নির্বাচনী কাজে হিরো আলমের ঝিনাইদহে আসার খবরও ছড়িয়ে পড়ে।
এ দিকে আজ সকাল থেকেই তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শহরের বিভিন্ন স্থানে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তারা তাদের পছন্দের মানুষটিকে এক নজর দেখতে চান। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর, অবশেষে বিকেল পর্যন্ত হিরো আলম আসেননি। ভক্তরা তাঁকে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
পরে বিকেলে কথা হয় আজকের পত্রিকার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের কাজে ঝিনাইদহে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরে চিন্তা-ভাবনা করে আর যাইনি।’
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোট করা কোনো বিষয় না, যে কোনো জায়গা থেকেই ভোট করা যায়। কিন্তু ভোট করতে গেলে এলাকায় ব্যাকআপ লাগে। ব্যাকআপ ছাড়া ভোট করব কীভাবে।’
স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতার উল্লেখ করে আশরাফুল আলম বলেন, ‘সবাই তো খালি আমাকে ফোন দিয়ে আওয়ামী লীগের পরিচয় দেয়। আর বলে-আমি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সভাপতি, সেক্রেটারি, সভাপতি, চেয়ারম্যান, অমুক-তমুক, দুনিয়ার পরিচয় দিয়ে ফোন দিতে থাকে। তারা বলে-আসেন ভোট করেন, আমরা আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওখানে গিয়ে আমি কার ভরসায় ভোট করব, আমার দায়িত্ব কে নেবে। আজ ঝিনাইদহ যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তেমন কোনো সাপোর্ট নেই বলে যাওয়া ক্যানসেল করেছি।’
উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে ভোট হবে ৫ জুন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক কর্মকর্তা।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না আশরাফুল আলম (হিরো আলম)। আজ শুক্রবার দুপুরে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। এর আগে সোমবার ওই আসনে উপনির্বাচনের অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দেন তিনি। এ দিন হিরো আলমের এ বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও আসে।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহ-১ আসনের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তখন তাঁরা আমাকে বলেছেন-সবাই আমাকে চেনেন, আমি তাদের কাছে প্রিয় এবং পরিচিত মুখ। সেখানকার জনসাধারণ বলেছেন-নির্বাচনে তারা সাহায্য সহযোগিতা করবেন। আমি আমার প্রতি তাদের ভালোবাসা দেখে সেখানে উপনির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হয়েছি।’
এ সংবাদ প্রচার হওয়ার পর থেকেই জেলাজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। শুক্রবার নির্বাচনী কাজে হিরো আলমের ঝিনাইদহে আসার খবরও ছড়িয়ে পড়ে।
এ দিকে আজ সকাল থেকেই তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শহরের বিভিন্ন স্থানে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তারা তাদের পছন্দের মানুষটিকে এক নজর দেখতে চান। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর, অবশেষে বিকেল পর্যন্ত হিরো আলম আসেননি। ভক্তরা তাঁকে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
পরে বিকেলে কথা হয় আজকের পত্রিকার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের কাজে ঝিনাইদহে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরে চিন্তা-ভাবনা করে আর যাইনি।’
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোট করা কোনো বিষয় না, যে কোনো জায়গা থেকেই ভোট করা যায়। কিন্তু ভোট করতে গেলে এলাকায় ব্যাকআপ লাগে। ব্যাকআপ ছাড়া ভোট করব কীভাবে।’
স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতার উল্লেখ করে আশরাফুল আলম বলেন, ‘সবাই তো খালি আমাকে ফোন দিয়ে আওয়ামী লীগের পরিচয় দেয়। আর বলে-আমি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সভাপতি, সেক্রেটারি, সভাপতি, চেয়ারম্যান, অমুক-তমুক, দুনিয়ার পরিচয় দিয়ে ফোন দিতে থাকে। তারা বলে-আসেন ভোট করেন, আমরা আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওখানে গিয়ে আমি কার ভরসায় ভোট করব, আমার দায়িত্ব কে নেবে। আজ ঝিনাইদহ যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তেমন কোনো সাপোর্ট নেই বলে যাওয়া ক্যানসেল করেছি।’
উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে ভোট হবে ৫ জুন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক কর্মকর্তা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে