শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পানের বরজে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ব্যবসায়ী সাইদ বিশ্বাস (৫০) নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
নিহত সাইদ বিশ্বাস কেষ্টপুর গ্রামের মৃত জাবেদ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কলা ব্যবসা করতেন।
উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, গত বৃহস্পতিবার কেষ্টপুর গ্রামের দেব প্রসাদের পানের বরজে চুরির ঘটনায় এক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে সোমবার সকালে কেষ্টপুর গ্রামের তরিকুল নামের এক ব্যক্তি বিএলকে বাজারে তেল কিনতে গেলে তাঁর ওপর হামলা চালায় ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থকেরা।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল ৯টার দিকে ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান ও ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সাইদ বিশ্বাস, শরিফুল ইসলাম, রেজাউল বিশ্বাস, গোলাম কিবরিয়া, শরিফ, বকুল ইসমাইলসহ অন্তত ১০ ব্যক্তি আহত হন। আহত ব্যক্তিদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাইদ বিশ্বাস মারা যান।
ইউপি সদস্য মান্নানের অভিযোগ, ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থক কেষ্টপুর গ্রামের হানিফ মণ্ডল, লক্ষ্মণদিয়া গ্রামের মতিউর রহমান, আমিন উদ্দিন, কেষ্টপুর গ্রামের আফজাল আনোয়ার বিএলকে বাজারে তরিকুলকে পিটিয়ে আহত করেন। এ ঘটনায় আহত তরিকুলকে সাইদসহ কয়েকজন তাঁর বাড়িতে দেখতে গেলে আবারও হামলা চালায় কপিলের সমর্থকেরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কপিল বিশ্বাস বলেন, মান্নানের সমর্থকেরা তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এরপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, কেষ্টপুর গ্রামে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে সাইদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারীদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পানের বরজে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ব্যবসায়ী সাইদ বিশ্বাস (৫০) নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
নিহত সাইদ বিশ্বাস কেষ্টপুর গ্রামের মৃত জাবেদ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কলা ব্যবসা করতেন।
উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, গত বৃহস্পতিবার কেষ্টপুর গ্রামের দেব প্রসাদের পানের বরজে চুরির ঘটনায় এক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে সোমবার সকালে কেষ্টপুর গ্রামের তরিকুল নামের এক ব্যক্তি বিএলকে বাজারে তেল কিনতে গেলে তাঁর ওপর হামলা চালায় ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থকেরা।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল ৯টার দিকে ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান ও ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সাইদ বিশ্বাস, শরিফুল ইসলাম, রেজাউল বিশ্বাস, গোলাম কিবরিয়া, শরিফ, বকুল ইসমাইলসহ অন্তত ১০ ব্যক্তি আহত হন। আহত ব্যক্তিদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাইদ বিশ্বাস মারা যান।
ইউপি সদস্য মান্নানের অভিযোগ, ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসের সমর্থক কেষ্টপুর গ্রামের হানিফ মণ্ডল, লক্ষ্মণদিয়া গ্রামের মতিউর রহমান, আমিন উদ্দিন, কেষ্টপুর গ্রামের আফজাল আনোয়ার বিএলকে বাজারে তরিকুলকে পিটিয়ে আহত করেন। এ ঘটনায় আহত তরিকুলকে সাইদসহ কয়েকজন তাঁর বাড়িতে দেখতে গেলে আবারও হামলা চালায় কপিলের সমর্থকেরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কপিল বিশ্বাস বলেন, মান্নানের সমর্থকেরা তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এরপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, কেষ্টপুর গ্রামে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে সাইদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারীদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে গতকাল সোমবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলাকালে শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) নামের এক বিএনপি নেতা মারা গেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে ডাবলুর।
২২ মিনিট আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে