
ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আজ বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মাধবপুরে জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি দোয়া মাহফিল হচ্ছিল। সেখানে ইফতারসামগ্রী বিতরণ নিয়েও আলোচনা হয়। দোয়া মাহফিল চলমান অবস্থায় স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসে হামলা চালান। সংবাদ পেয়ে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা হামলার কারণ জানতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে জামায়াতের নারী কর্মীসহ উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন।
সদর উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের মিটিংয়ে বিএনপির সরকার ও নেতা-কর্মীদের কটাক্ষ করে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। এতে জামায়াতের নেতারা সংঘবদ্ধ হয়ে এসে তাঁদের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, সদর থানার মাধবপুর গ্রামে জামায়াত বিএনপির কর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে এলাকায় বর্তমানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ায় একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচজন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে হতাহত ব্যক্তিদের
৩৩ মিনিট আগে
মাদারীপুর জেলার শিবচরে মনিকা আক্তার (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এরপর স্থানীয়রা ওই মাদক কারবারির বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে।
৪৪ মিনিট আগে
মুদিদোকানি টিংকু সাহা বলেন, ‘আমরা জেনেছি এই হাট এখনো ইজারা দেওয়া হয়নি। কিন্তু ইজারাদার পরিচয়ে কিছু লোক নিয়মিত আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকা করে খাজনা নিচ্ছে। হাটের দিন ছাড়াও খাজনা আদায় করা হয়। তাদের অত্যাচারে অনেকে অন্য হাটে চলে যাচ্ছে। দিনে দিনে এখানে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
সিরাজপুর বাজারের মেসার্স মাহমুদ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দুটি গুদামঘরে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২৪ ড্রাম অকটেন, পেট্রল, ডিজেল ও কেরোসিন তেল উদ্ধার করা হয়। এসব জ্বালানি তেল বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করে গুদামজাত করা হয়েছিল এবং পরে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি
১ ঘণ্টা আগে