ঝালকাঠি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের ঝালকাঠি জেলা কমিটির সাবেক সদস্যসচিব কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নবগঠিত ১০১ সদস্যের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক আলহাজ মাওলানা কাজী মো. সেলিম রেজা ও সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট কাজী মাওলানা মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের ১০১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ওলামা লীগের জেলা কমিটির সদস্যসচিব হন কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ। এরপর তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দাপিয়ে বেড়ান এলাকা। চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ওঠে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর খোলস পাল্টে বিএনপিতে ভেড়েন নেয়ামত উল্লাহ।

বিএনপির একটি সূত্র বলছে, টাকার বিনিময়ে ওলামা দলের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন নেয়ামত উল্লাহ। দল পরিবর্তন করে আসার পরেই জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পাওয়ায় স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয়টি অস্বীকার করে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের নবগঠিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান নোমানী ঝালকাঠিতে লোক না থাকায় আমাকে মৌখিকভাবে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি প্রচারের জন্য আমার পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন গাছে ও দেয়াল টাঙিয়ে দিছিল।’

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা মো. ছাইদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আওয়ামী ওলামা লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। আমাদের কমিটি ঘোষণার পরে আমরা জানতে পারি। তাকে নিয়ে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের ঝালকাঠি জেলা কমিটির সাবেক সদস্যসচিব কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নবগঠিত ১০১ সদস্যের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক আলহাজ মাওলানা কাজী মো. সেলিম রেজা ও সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট কাজী মাওলানা মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের ১০১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ওলামা লীগের জেলা কমিটির সদস্যসচিব হন কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ। এরপর তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দাপিয়ে বেড়ান এলাকা। চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ওঠে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর খোলস পাল্টে বিএনপিতে ভেড়েন নেয়ামত উল্লাহ।

বিএনপির একটি সূত্র বলছে, টাকার বিনিময়ে ওলামা দলের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন নেয়ামত উল্লাহ। দল পরিবর্তন করে আসার পরেই জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পাওয়ায় স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয়টি অস্বীকার করে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের নবগঠিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান নোমানী ঝালকাঠিতে লোক না থাকায় আমাকে মৌখিকভাবে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি প্রচারের জন্য আমার পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন গাছে ও দেয়াল টাঙিয়ে দিছিল।’

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা মো. ছাইদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আওয়ামী ওলামা লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। আমাদের কমিটি ঘোষণার পরে আমরা জানতে পারি। তাকে নিয়ে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে