চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় যশোরের চৌগাছায় আগাছানাশক (ঘাস পোড়ার ওষুধ) পান করে আল মামুন (২২) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মন্মথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আল মামুন ওই গ্রামের রবিউল ইসলাম চারুর ছেলে এবং সদর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
এর আগে ভোর ৬টার দিকে আল মামুন আগাছানাশক খেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয় যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকেরা। তবে পরিবারের সদস্যরা রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে সেখানে বিকেল ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, কিছু দিন ধরে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় আল মামুনের সঙ্গে তাঁর বাবার মনোমালিন্য চলছিল। আজ ভোরে বাবা রবিউল ইসলাম পটলখেতে ফুল ছোঁয়াতে তাঁর সঙ্গে যেতে বলেন আল মামুনকে। এ সময় মামুন আবারও মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বললে তাঁর বাবার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে বাবা একাই পটলখেতে চলে যান। মামুন নিজের শোওয়ারঘরে আগাছানাশক পান করে ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে আগাছানাশকের রিঅ্যাকশন শুরু হলে তাঁর চিৎকার চেঁচামেচিতে মাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভিকটিমকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢামেক হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকেরা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় যশোরের চৌগাছায় আগাছানাশক (ঘাস পোড়ার ওষুধ) পান করে আল মামুন (২২) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মন্মথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আল মামুন ওই গ্রামের রবিউল ইসলাম চারুর ছেলে এবং সদর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
এর আগে ভোর ৬টার দিকে আল মামুন আগাছানাশক খেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয় যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকেরা। তবে পরিবারের সদস্যরা রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে সেখানে বিকেল ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, কিছু দিন ধরে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় আল মামুনের সঙ্গে তাঁর বাবার মনোমালিন্য চলছিল। আজ ভোরে বাবা রবিউল ইসলাম পটলখেতে ফুল ছোঁয়াতে তাঁর সঙ্গে যেতে বলেন আল মামুনকে। এ সময় মামুন আবারও মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বললে তাঁর বাবার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে বাবা একাই পটলখেতে চলে যান। মামুন নিজের শোওয়ারঘরে আগাছানাশক পান করে ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে আগাছানাশকের রিঅ্যাকশন শুরু হলে তাঁর চিৎকার চেঁচামেচিতে মাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভিকটিমকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢামেক হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকেরা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে