
বাবা–মা মারা যাওয়ায় মাত্র ১২ বছর বয়সেই বিয়ে হয় জায়েদা বেগমের। কিন্তু যৌতুক না পেয়ে স্বামী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। দুই বছর পর আবার বিয়ে হয় তাঁর। তবে কপালে বেশি দিন সুখ সয়নি। ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান স্বামী। এরপর সংসার চালাতে জায়েদা বেনাপোল বন্দর এলাকায় গিয়ে জড়িয়ে পড়েন কালোবাজারিতে।
একটু সুখে থাকতে আবারও বিয়ে করেন জায়েদা। দার–দেনা করে বিদেশে পাঠানো সেই স্বামী দেশে ফিরে বিচ্ছেদ ঘটান তাঁদের সম্পর্কের। শেষমেশ জীবনের বাকি পথ চলতে কালোবাজারির অন্ধকার জগত ছেড়ে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। এই অটোরিকশার স্টিয়ারিং তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্য আর আলোর পথে।
জায়েদা বেগমের ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ঘুরছে ‘স্বচ্ছলতার চাকা’। কালোবাজারীর স্থলে তাঁকে এখন সবাই সম্মান করে ডাকেন ‘জায়েদা ড্রাইভার’ বলে। তিনি যশোর জেলার ঝিকরগাছা ও মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইজিবাইক চালিয়ে বেড়ান। জেলাতে তিনিই একমাত্র নারী ইজিবাইকচালক। জায়েদা বেগম নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী হিসেবে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায় তিনবার জয়িতা পুরষ্কার পেয়েছেন।
জায়েদা বেগমের ১৯৬৭ সালে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সালামতপুর গ্রামে দরিদ্র পরিবারে জন্ম। বারবার দুর্ঘটনার শিকার জায়েদা নিরুপায় হয়ে মনস্থির করেন, ইজিবাইক চালাবেন। একটি সমিতির সদস্য হয়ে সেখান থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এক লাখ ষাট হাজার টাকা দিয়ে একটি ইজিবাইক কেনেন। ২০১৭ সালে জুন মাসের দিকে সেই ইজিবাইকের স্টিয়ারিং ধরে রাস্তায় নামেন জায়েদা বেগম। ইজিবাইকের স্টিয়ারিংয়ে দেওয়া হাত আর কালোবাজারি কাজে লাগাননি তিনি। ফিরে আসেন অন্ধকার থেকে আলোর পথে। গত পাঁচ বছরে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে তাঁর ‘স্বচ্ছলতার চাকাও’ ঘুরেছে।
জায়েদা বেগম বলেন, ‘আমি এখন অনেক ভালো আছি। প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ শ টাকা আয় হয়। পাঁচ বছরের আয়ের টাকায় চার শতক জমিও কিনেছি। মাথা গোঁজার জন্য একটি ঘর তৈরির কাজ শুরু করেছি।’
তবে জায়েদা আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি নারী হয়ে ইজিবাইক চালাই বলে অনেকে বিশেষ করে পুরুষ চালকেরা (গাড়ি) নানা কটু কথা বলেন। হেনস্থা হতে হয় পুরুষ চালকদের কাছে। তবে যে যাই বলুক আর কোনো অন্ধকার জগতে ফিরে যেতে চাই না। অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি এই পথ চলতে। এই ভালোবাসা নিয়েই বাকি জীবন কাটাতে চাই।’
যশোর জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলরী চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এ জেলায় একমাত্র নারী ইজিবাইক চালক জায়েদা বেগম। তিনি আগে কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে ইজিবাইক চালক হওয়া এটা একটা দৃষ্টান্ত। তাঁকে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব।’

বাবা–মা মারা যাওয়ায় মাত্র ১২ বছর বয়সেই বিয়ে হয় জায়েদা বেগমের। কিন্তু যৌতুক না পেয়ে স্বামী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। দুই বছর পর আবার বিয়ে হয় তাঁর। তবে কপালে বেশি দিন সুখ সয়নি। ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান স্বামী। এরপর সংসার চালাতে জায়েদা বেনাপোল বন্দর এলাকায় গিয়ে জড়িয়ে পড়েন কালোবাজারিতে।
একটু সুখে থাকতে আবারও বিয়ে করেন জায়েদা। দার–দেনা করে বিদেশে পাঠানো সেই স্বামী দেশে ফিরে বিচ্ছেদ ঘটান তাঁদের সম্পর্কের। শেষমেশ জীবনের বাকি পথ চলতে কালোবাজারির অন্ধকার জগত ছেড়ে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। এই অটোরিকশার স্টিয়ারিং তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্য আর আলোর পথে।
জায়েদা বেগমের ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ঘুরছে ‘স্বচ্ছলতার চাকা’। কালোবাজারীর স্থলে তাঁকে এখন সবাই সম্মান করে ডাকেন ‘জায়েদা ড্রাইভার’ বলে। তিনি যশোর জেলার ঝিকরগাছা ও মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইজিবাইক চালিয়ে বেড়ান। জেলাতে তিনিই একমাত্র নারী ইজিবাইকচালক। জায়েদা বেগম নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী হিসেবে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায় তিনবার জয়িতা পুরষ্কার পেয়েছেন।
জায়েদা বেগমের ১৯৬৭ সালে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সালামতপুর গ্রামে দরিদ্র পরিবারে জন্ম। বারবার দুর্ঘটনার শিকার জায়েদা নিরুপায় হয়ে মনস্থির করেন, ইজিবাইক চালাবেন। একটি সমিতির সদস্য হয়ে সেখান থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এক লাখ ষাট হাজার টাকা দিয়ে একটি ইজিবাইক কেনেন। ২০১৭ সালে জুন মাসের দিকে সেই ইজিবাইকের স্টিয়ারিং ধরে রাস্তায় নামেন জায়েদা বেগম। ইজিবাইকের স্টিয়ারিংয়ে দেওয়া হাত আর কালোবাজারি কাজে লাগাননি তিনি। ফিরে আসেন অন্ধকার থেকে আলোর পথে। গত পাঁচ বছরে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে তাঁর ‘স্বচ্ছলতার চাকাও’ ঘুরেছে।
জায়েদা বেগম বলেন, ‘আমি এখন অনেক ভালো আছি। প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ শ টাকা আয় হয়। পাঁচ বছরের আয়ের টাকায় চার শতক জমিও কিনেছি। মাথা গোঁজার জন্য একটি ঘর তৈরির কাজ শুরু করেছি।’
তবে জায়েদা আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি নারী হয়ে ইজিবাইক চালাই বলে অনেকে বিশেষ করে পুরুষ চালকেরা (গাড়ি) নানা কটু কথা বলেন। হেনস্থা হতে হয় পুরুষ চালকদের কাছে। তবে যে যাই বলুক আর কোনো অন্ধকার জগতে ফিরে যেতে চাই না। অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি এই পথ চলতে। এই ভালোবাসা নিয়েই বাকি জীবন কাটাতে চাই।’
যশোর জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলরী চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এ জেলায় একমাত্র নারী ইজিবাইক চালক জায়েদা বেগম। তিনি আগে কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে ইজিবাইক চালক হওয়া এটা একটা দৃষ্টান্ত। তাঁকে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব।’

পাবনার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৫ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি কয়লাবোঝাই ট্রাকের অতিরিক্ত ওজনের কারণে দেবে গেছে। ব্রিজটি চরবিশ্বনাথপুর এলাকার মানুষের জন্য হোসেনপুর বাজারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
২৫ মিনিট আগে
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৩৭ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে