বেনাপোল প্রতিনিধি

দুর্গাপূজা উপভোগ এবং স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াতে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। এতে দুই পাড়ের নানা অব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে আনন্দযাত্রায় বেড়েছে ভোগান্তি। ভারতীয় ইমিগ্রেশনে জনবলের সংকট, বেনাপোল বন্দরে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীর চাপে দুর্ভোগ বাড়লেও সেদিকে কর্তৃপক্ষের নজর নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এই পূজায় দৃষ্টিনন্দন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভারতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভারত-বাংলাদেশ বিভক্ত হলেও ওপারের সঙ্গে এ দেশের মানুষের আত্মীয় ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে প্রতিবছর প্রচুর মানুষ স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে ও পূজা দেখতে ভারতে যায়। করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর ভিসা জটিলতায় মানুষ ভারতে যেতে পারেনি। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ কমে আসায় ভিসা সহজীকরণে যাতায়াত বেড়েছে।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার যাত্রী যাতায়াত করলেও এখন তা দ্বিগুণ। তবে ভারতের পেট্রাপোল ও বেনাপোল বন্দরে কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় দুর্ভোগ কমেনি। প্রতিবছর বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারতে ১৬ থেকে ১৭ লাখ পাসপোর্টধারী যাত্রী যায়, যা থেকে সরকারের ভ্রমণ খাতে রাজস্ব আসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ভিসা ফি বাবদ ভারত সরকারের আয় হয় প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে যাত্রী বলবীর বলেন, ‘বন্দরে ট্যাক্স দিতে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। এটি অনলাইনে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করলে এত ভোগান্তি হতো না।’
যাত্রী দীপ বিশ্বাস জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের কখনো প্রখর রোদ, কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। তাই বন্দরে যাত্রীসেবা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
পাসপোর্টধারী যাত্রী রাকেশ বলেন, ‘গত দুই বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভারতে যেতে পারিনি। এবার ভিসা সহজ হওয়ায় পূজা উপভোগ ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। তবে বন্দরে নানা অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগ বেড়েছে।’
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জাহিদ হোসেন জানান, কেবল করোনা টিকার দুই ডোজ গ্রহণের সনদ থাকলে পাসপোর্টধারীদের ভারত ভ্রমণ করতে দেওয়া হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, ‘দুর্গাপূজার কারণে বন্দরে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের তদারকিতে কাজ করছে কাস্টমস, বন্দর ও ইমিগ্রেশন পুলিশ। যাত্রীসেবা বাড়াতে বন্দরে ছাত্রীছাউনিসহ নানা অবকাঠামো উন্নয়নকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু করা হবে।’

দুর্গাপূজা উপভোগ এবং স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াতে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। এতে দুই পাড়ের নানা অব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে আনন্দযাত্রায় বেড়েছে ভোগান্তি। ভারতীয় ইমিগ্রেশনে জনবলের সংকট, বেনাপোল বন্দরে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীর চাপে দুর্ভোগ বাড়লেও সেদিকে কর্তৃপক্ষের নজর নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এই পূজায় দৃষ্টিনন্দন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভারতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভারত-বাংলাদেশ বিভক্ত হলেও ওপারের সঙ্গে এ দেশের মানুষের আত্মীয় ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে প্রতিবছর প্রচুর মানুষ স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে ও পূজা দেখতে ভারতে যায়। করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর ভিসা জটিলতায় মানুষ ভারতে যেতে পারেনি। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ কমে আসায় ভিসা সহজীকরণে যাতায়াত বেড়েছে।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার যাত্রী যাতায়াত করলেও এখন তা দ্বিগুণ। তবে ভারতের পেট্রাপোল ও বেনাপোল বন্দরে কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় দুর্ভোগ কমেনি। প্রতিবছর বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারতে ১৬ থেকে ১৭ লাখ পাসপোর্টধারী যাত্রী যায়, যা থেকে সরকারের ভ্রমণ খাতে রাজস্ব আসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ভিসা ফি বাবদ ভারত সরকারের আয় হয় প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে যাত্রী বলবীর বলেন, ‘বন্দরে ট্যাক্স দিতে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। এটি অনলাইনে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করলে এত ভোগান্তি হতো না।’
যাত্রী দীপ বিশ্বাস জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের কখনো প্রখর রোদ, কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। তাই বন্দরে যাত্রীসেবা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
পাসপোর্টধারী যাত্রী রাকেশ বলেন, ‘গত দুই বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভারতে যেতে পারিনি। এবার ভিসা সহজ হওয়ায় পূজা উপভোগ ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। তবে বন্দরে নানা অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগ বেড়েছে।’
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জাহিদ হোসেন জানান, কেবল করোনা টিকার দুই ডোজ গ্রহণের সনদ থাকলে পাসপোর্টধারীদের ভারত ভ্রমণ করতে দেওয়া হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, ‘দুর্গাপূজার কারণে বন্দরে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের তদারকিতে কাজ করছে কাস্টমস, বন্দর ও ইমিগ্রেশন পুলিশ। যাত্রীসেবা বাড়াতে বন্দরে ছাত্রীছাউনিসহ নানা অবকাঠামো উন্নয়নকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু করা হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে