যশোর প্রতিনিধি

মেয়াদোত্তীর্ণের সাড়ে ছয় বছর পর যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয় (এম এম কলেজ) ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক তানজীব নওশাদ পল্লবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালের ৬ জুলাই এম এম কলেজ ছাত্রলীগে ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেন তৎকালীন জেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল। ওই কমিটির সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী জেলা সভাপতি হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় সহসভাপতি নূর ইসলামকে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়াতে নেতৃত্ব সংকটে পড়ে কলেজ ছাত্রলীগের এই সংগঠনটি।
নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যশোর সরকারি এম এম কলেজ ছাত্রলীগের পদধারী অধিকাংশ নেতা বর্তমানে বিবাহিত ও সন্তানের বাবা। আবার কেউ কেউ চাকরিজীবন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিন-চার বছর ধরে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন প্রায় সবাই। দীর্ঘদিন কমিটি না থাকাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে গ্রুপ উপ-গ্রুপে। ফলে এসব নেতা-কর্মীদের নিজেরা ক্যাম্পাসে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার রোধে নানা বিশৃঙ্খলা কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে দীর্ঘদিন পর কমিটি বিলুপ্ত করায় পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবির পিয়াস বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার সব কটি মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনে কাজ করছি। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করে এম এম কলেজ ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা হবে। এম এম কলেজসহ অন্য ইউনিটে শিগগির কমিটি দিয়ে যশোরে ছাত্রলীগকে পুনর্গঠন করা হবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার দুপুরে এম এম কলেজের আসাদ হলে ভাঙচুরের ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসের সভাপতি-সম্পাদকের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে ছাত্রাবাসের বেশ কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগ করে জেলা ছাত্রলীগ।

মেয়াদোত্তীর্ণের সাড়ে ছয় বছর পর যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয় (এম এম কলেজ) ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক তানজীব নওশাদ পল্লবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালের ৬ জুলাই এম এম কলেজ ছাত্রলীগে ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেন তৎকালীন জেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল। ওই কমিটির সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী জেলা সভাপতি হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় সহসভাপতি নূর ইসলামকে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়াতে নেতৃত্ব সংকটে পড়ে কলেজ ছাত্রলীগের এই সংগঠনটি।
নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যশোর সরকারি এম এম কলেজ ছাত্রলীগের পদধারী অধিকাংশ নেতা বর্তমানে বিবাহিত ও সন্তানের বাবা। আবার কেউ কেউ চাকরিজীবন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিন-চার বছর ধরে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন প্রায় সবাই। দীর্ঘদিন কমিটি না থাকাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে গ্রুপ উপ-গ্রুপে। ফলে এসব নেতা-কর্মীদের নিজেরা ক্যাম্পাসে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার রোধে নানা বিশৃঙ্খলা কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে দীর্ঘদিন পর কমিটি বিলুপ্ত করায় পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবির পিয়াস বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার সব কটি মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনে কাজ করছি। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করে এম এম কলেজ ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা হবে। এম এম কলেজসহ অন্য ইউনিটে শিগগির কমিটি দিয়ে যশোরে ছাত্রলীগকে পুনর্গঠন করা হবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার দুপুরে এম এম কলেজের আসাদ হলে ভাঙচুরের ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসের সভাপতি-সম্পাদকের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে ছাত্রাবাসের বেশ কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগ করে জেলা ছাত্রলীগ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে