যশোরে নারী-শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে দগ্ধ তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলো ওই গ্রামের জামাত হোসেনের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪৮), ছেলে (৮) ও মেয়ে (২৬)।
ভুক্তভোগী মেয়েটির চাচা আব্দুর রহমান জানান, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক নেই। স্বামীর বাড়ি ছেড়ে আসার পর ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন।
মঠবাড়ি গ্রামের ফজলুর রহমানের কাজের লোক জসিম মেয়েটিকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মেয়েটি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জসিম আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে জানালা দিয়ে অ্যাসিড ছুড়ে মারেন। এতে মেয়েটি, তাঁর ভাই ও মা রাহেলা খাতুন অ্যাসিডে দগ্ধ হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে চিকিৎসক আহত ব্যক্তিদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জুবায়ের আহমেদ বলেন, অ্যাসিডে শিশুর পাসহ বিভিন্ন জায়গায় দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া তার মা ও বোনের শরীরের আংশিক দগ্ধ হয়েছে। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ঝিকরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে।’

শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
৩১ মিনিট আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
১ ঘণ্টা আগে
ঈদের পর আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে সংগঠনের নাম, আহ্বায়ক কমিটি— যার মাধ্যমে ঢাকায় বসবাসরত মিরসরাই উপজেলার মানুষদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার সময় আলম তাজ একা ছিলেন। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করার ফলে মুখমণ্ডল থেঁতলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি লোহার তৈরি শাবল জব্দ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে