যশোর প্রতিনিধি

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন হামিদপুর গ্রামের এ বি এম জাফরী (৩৮) এবং তাঁর বাবা আসাদুজ্জামান (৬৫)। ঘটনাটি ঘটে আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে।
তবে, অভিযোগ অস্বীকার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন এ ধরনের কোনো ঘটনা জানেন না বলে দাবি করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। হামলার ঘটনায় যদি আমি জড়িত থাকি তো তারা ডকুমেন্ট দেখাক। ছবি দেখাক।’
হাসপাতালে আহত এ বি এম জাফরী বলেন, ‘হামিদপুর গ্রামের হারেজ ফকিরের বাড়ির সামনে ৩০ বছর আগে বাবা শিল্প ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ১০ একর জমি ক্রয় করেন। আজ দুপুরে বাবাসহ আমি ওই জমিতে কলাগাছ রোপণ করতে যাই। কলাগাছ রোপণ করার সময় হঠাৎ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ১২ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে উপস্থিত হন।
‘এ সময় শহিদুল ইসলাম মিলন এ জমি তাঁর বেয়াইয়ের দাবি করে দখল করার চেষ্টা করেন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শটগান দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেন।
‘আমি ও বাবা আহত হলে গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করেন। ধাওয়ার মুখে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ও জিপ গাড়িযোগে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে গ্রামবাসী আমাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।’
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামিদপুরে একটি মারামারির ঘটনা শুনেছি। কোনো পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে এই ঘটনায় আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে যশোরে প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন হামিদপুর গ্রামের এ বি এম জাফরী (৩৮) এবং তাঁর বাবা আসাদুজ্জামান (৬৫)। ঘটনাটি ঘটে আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে।
তবে, অভিযোগ অস্বীকার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন এ ধরনের কোনো ঘটনা জানেন না বলে দাবি করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। হামলার ঘটনায় যদি আমি জড়িত থাকি তো তারা ডকুমেন্ট দেখাক। ছবি দেখাক।’
হাসপাতালে আহত এ বি এম জাফরী বলেন, ‘হামিদপুর গ্রামের হারেজ ফকিরের বাড়ির সামনে ৩০ বছর আগে বাবা শিল্প ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ১০ একর জমি ক্রয় করেন। আজ দুপুরে বাবাসহ আমি ওই জমিতে কলাগাছ রোপণ করতে যাই। কলাগাছ রোপণ করার সময় হঠাৎ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ১২ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে উপস্থিত হন।
‘এ সময় শহিদুল ইসলাম মিলন এ জমি তাঁর বেয়াইয়ের দাবি করে দখল করার চেষ্টা করেন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শটগান দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেন।
‘আমি ও বাবা আহত হলে গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করেন। ধাওয়ার মুখে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ও জিপ গাড়িযোগে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে গ্রামবাসী আমাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।’
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামিদপুরে একটি মারামারির ঘটনা শুনেছি। কোনো পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে এই ঘটনায় আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে যশোরে প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে