
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৩ সালের নতুন কারিকুলামে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে নাশতার জন্য বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, প্রতিজনের জন্য নাশতায় ৮০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ৩৫ টাকার নাশতা দিয়ে বাকি টাকা পকেটে ভরছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকারে দাবি, শিক্ষকপ্রতি ৪০ টাকার নাশতা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলাম নিয়ে বিষয়ভিত্তিক পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে গত শুক্রবার (৭ জানুয়ারি)। মনিরামপুর সরকারি কলেজ, মনিরামপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়—এই তিন কেন্দ্রে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা পর্যায়ের ১ হাজার ৭৩৭ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৫০ জন প্রশিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। চলবে আরও তিন দিন। প্রতিদিন অংশগ্রহণকারীদের নাশতার জন্য ৮০ টাকা করে বরাদ্দ আছে।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘শুনেছি, আমাদের নাশতার জন্য মাথাপিছু ৮০ টাকা বরাদ্দ আছে। শুক্রবার সকালে নাশতায় আমাদের একটা করে সেদ্ধ ডিম, ১০ টাকার একটা চকো পাই কেক, ৫ টাকার একটা কলা ও ৫ টাকার এক প্যাকেট লেক্সাস বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। শনিবারও একই নাশতা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী হিসাব করে দেখা যায়, মনিরামপুরে প্রতিদিন ১ হাজার ৭৩৭ জন শিক্ষক ও ৫০ জন প্রশিক্ষকের নাশতা বাবদ ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৬০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১০ শতাংশ ভ্যাট বাদ দিয়ে যা দাঁড়ায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৬৪ টাকা। শিক্ষকদের অভিযোগ অনুযায়ী প্রতিদিন তাঁদের নাশতা বাবদ ৬২ হাজার ৫৪৫ টাকা ব্যয় করছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর। সেই হিসাবে মাথাপ্রতি ৮ টাকা ভ্যাট বাদে বাকি ৩৭ টাকা করে প্রতিদিন বাজেটের ৬৬ হাজার ১১৯ টাকা উদ্বৃত্ত থাকছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমরা প্রতি শিক্ষককে ৪০ টাকার নাশতা দিচ্ছি। দপ্তরে লোকের সংকট থাকায় মনিরামপুরে আয়োজন করতে না পেরে যশোর থেকে ভাড়া দিয়ে নাশতা আনা হচ্ছে। প্রশিক্ষণার্থী বাদে ৫২ জন প্রশিক্ষক ও তিন কেন্দ্রের স্টাফদের জন্য আরও ১০০ প্যাকেট নাশতা বেশি আনতে হচ্ছে। সেখানে বাড়তি খরচ হচ্ছে।’
বিকাশ চন্দ্র সরকার আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আরও কিছু খরচ আছে। আমি একটি টাকাও রাখছি না। যত দূর সম্ভব, আমি স্বচ্ছতা রাখার চেষ্টা করি।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম আজম বলেন, ‘সামনে আরও প্রশিক্ষণ আছে। তখন নাশতার মান উন্নত করার জন্য বলে দেব।’

যশোরের মনিরামপুরে ২০২৩ সালের নতুন কারিকুলামে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে নাশতার জন্য বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, প্রতিজনের জন্য নাশতায় ৮০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ৩৫ টাকার নাশতা দিয়ে বাকি টাকা পকেটে ভরছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকারে দাবি, শিক্ষকপ্রতি ৪০ টাকার নাশতা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলাম নিয়ে বিষয়ভিত্তিক পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে গত শুক্রবার (৭ জানুয়ারি)। মনিরামপুর সরকারি কলেজ, মনিরামপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়—এই তিন কেন্দ্রে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা পর্যায়ের ১ হাজার ৭৩৭ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৫০ জন প্রশিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। চলবে আরও তিন দিন। প্রতিদিন অংশগ্রহণকারীদের নাশতার জন্য ৮০ টাকা করে বরাদ্দ আছে।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘শুনেছি, আমাদের নাশতার জন্য মাথাপিছু ৮০ টাকা বরাদ্দ আছে। শুক্রবার সকালে নাশতায় আমাদের একটা করে সেদ্ধ ডিম, ১০ টাকার একটা চকো পাই কেক, ৫ টাকার একটা কলা ও ৫ টাকার এক প্যাকেট লেক্সাস বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। শনিবারও একই নাশতা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী হিসাব করে দেখা যায়, মনিরামপুরে প্রতিদিন ১ হাজার ৭৩৭ জন শিক্ষক ও ৫০ জন প্রশিক্ষকের নাশতা বাবদ ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৬০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১০ শতাংশ ভ্যাট বাদ দিয়ে যা দাঁড়ায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৬৪ টাকা। শিক্ষকদের অভিযোগ অনুযায়ী প্রতিদিন তাঁদের নাশতা বাবদ ৬২ হাজার ৫৪৫ টাকা ব্যয় করছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর। সেই হিসাবে মাথাপ্রতি ৮ টাকা ভ্যাট বাদে বাকি ৩৭ টাকা করে প্রতিদিন বাজেটের ৬৬ হাজার ১১৯ টাকা উদ্বৃত্ত থাকছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমরা প্রতি শিক্ষককে ৪০ টাকার নাশতা দিচ্ছি। দপ্তরে লোকের সংকট থাকায় মনিরামপুরে আয়োজন করতে না পেরে যশোর থেকে ভাড়া দিয়ে নাশতা আনা হচ্ছে। প্রশিক্ষণার্থী বাদে ৫২ জন প্রশিক্ষক ও তিন কেন্দ্রের স্টাফদের জন্য আরও ১০০ প্যাকেট নাশতা বেশি আনতে হচ্ছে। সেখানে বাড়তি খরচ হচ্ছে।’
বিকাশ চন্দ্র সরকার আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আরও কিছু খরচ আছে। আমি একটি টাকাও রাখছি না। যত দূর সম্ভব, আমি স্বচ্ছতা রাখার চেষ্টা করি।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম আজম বলেন, ‘সামনে আরও প্রশিক্ষণ আছে। তখন নাশতার মান উন্নত করার জন্য বলে দেব।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে