যশোর প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুরে ছাত্রলীগ নেতা লেখক ভট্টাচার্য্যের ভেবে জামায়াত নেতার ঘেরের মাছ লুটের ঘটনায় দুজনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। আজ সোমবার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মাহাবুবুর রহমান ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রাজিব। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কোনো ধরনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত শনিবার জামায়াত নেতার আলমসাধুভর্তি মাছ লুট করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ওই দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যের ভেবে আলমসাধুভর্তি মাছ লুটের ঘটনা ঘটে। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ঘটনার পর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান জানান, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে মাহাবুব ও রাজিব নামের দুজনকে মাছ লুটের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে তাঁদের কাছ থেকে মাছ বিক্রির টাকা উদ্ধার করে মালিককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাছ লুটের ঘটনার তথ্য পেয়েই নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা তা উদ্ধারে সক্রিয় হন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘দলের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, কেউ দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। উপজেলা বিএনপির সুপারিশে দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের যে-ই হোক না কেন, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করলেই আমরা বহিষ্কার করছি।’

যশোরের মনিরামপুরে ছাত্রলীগ নেতা লেখক ভট্টাচার্য্যের ভেবে জামায়াত নেতার ঘেরের মাছ লুটের ঘটনায় দুজনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। আজ সোমবার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মাহাবুবুর রহমান ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রাজিব। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কোনো ধরনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত শনিবার জামায়াত নেতার আলমসাধুভর্তি মাছ লুট করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ওই দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যের ভেবে আলমসাধুভর্তি মাছ লুটের ঘটনা ঘটে। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ঘটনার পর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান জানান, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে মাহাবুব ও রাজিব নামের দুজনকে মাছ লুটের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে তাঁদের কাছ থেকে মাছ বিক্রির টাকা উদ্ধার করে মালিককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাছ লুটের ঘটনার তথ্য পেয়েই নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা তা উদ্ধারে সক্রিয় হন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘দলের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, কেউ দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। উপজেলা বিএনপির সুপারিশে দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের যে-ই হোক না কেন, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করলেই আমরা বহিষ্কার করছি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে