ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরায় ঢুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ইলিয়াছ আলী নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার দুপুরে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে জামালপুর জেলা জজ ও দায়রা আদালতে হাজির করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ইলিয়াছ আলীকে আটক করে পুলিশ। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখক।
হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফিরোজ মিয়া, সাবেক সভাপতি আলী হাসান খোকা, দলিল লেখক শহিদুল্লাহসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান মোহাম্মদ তামিম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেলে রেহেনা বেগম নামের এক নারী তাঁর বোন রুবিনা বেগমের নামে হেবা দলিল করতে যান সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। তাঁদের পক্ষে শহিদুল্লাহ নামের এক দলিল লেখক সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে হেবা দলিলটি উপস্থাপন করেন। সাব-রেজিস্ট্রার শুনানিকালে হেবা দলিল বাবদ কোনো টাকা পেয়েছেন কি না, জানতে চাইলে দাতা জমির টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তখন সাব-রেজিস্ট্রার দলিল লেখক শহিদুল্লাহর উদ্দেশে বলেন, হেবা দান করতেও যখন দাতা-গ্রহীতার মধ্যে টাকা লেনদেন হয়েছে, তাই এটা সাব কবলা করলে সরকার বড় ধরনের রাজস্ব পাবে। রাজস্ব আদায়ের কথা বলায় শহিদুল্লাহ সাবেক দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আলী হাসান খোকাকে এজলাসে ডেকে আনেন। তিনিও দলিলটি সম্পাদন করতে সাব-রেজিস্ট্রারকে চাপ প্রয়োগ করেন। সাব-রেজিস্ট্রার আবারও সরকারের রাজস্বের বিষয়টি বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আলী হাসান খোকা।
এ সময় আলী হাসান খোকা বাইরে থেকে আরও ১৫-২০ জন দলিল লেখককে ডেকে এনে সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরায় দলিল, অবিকল নকল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন এবং সাব-রেজিস্ট্রারকে খাস কামরায় অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে উদ্ধার করে।
সাব-রেজিস্ট্রার আবদুর রহমান মো. তামিম বলেন, ‘আমি জানতে পারি, তিনটি বালামে কাটাছেঁড়া ও ঘষামাজা করে জমির পরিমাণ জালিয়াতি করেছেন ফিরোজ মিয়া নামের এক দলিল লেখক। জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আমি অবস্থান নেওয়ায় দলিল লেখকেরা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন দলিল লেখক খাস কামরায় আমার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। সেই সঙ্গে আমাকে হত্যার হুমকি দেন। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।’
এ ব্যাপারে উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রারের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার তামিমের অসদাচরণে আমরা অতিষ্ঠ।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রার তামিমের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। মামলার ৫ নম্বর আসামি দলিল লেখক ইলিয়াছ আলীকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্তকাজ চলছে।’

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরায় ঢুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ইলিয়াছ আলী নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার দুপুরে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে জামালপুর জেলা জজ ও দায়রা আদালতে হাজির করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ইলিয়াছ আলীকে আটক করে পুলিশ। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখক।
হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফিরোজ মিয়া, সাবেক সভাপতি আলী হাসান খোকা, দলিল লেখক শহিদুল্লাহসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান মোহাম্মদ তামিম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেলে রেহেনা বেগম নামের এক নারী তাঁর বোন রুবিনা বেগমের নামে হেবা দলিল করতে যান সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। তাঁদের পক্ষে শহিদুল্লাহ নামের এক দলিল লেখক সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে হেবা দলিলটি উপস্থাপন করেন। সাব-রেজিস্ট্রার শুনানিকালে হেবা দলিল বাবদ কোনো টাকা পেয়েছেন কি না, জানতে চাইলে দাতা জমির টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তখন সাব-রেজিস্ট্রার দলিল লেখক শহিদুল্লাহর উদ্দেশে বলেন, হেবা দান করতেও যখন দাতা-গ্রহীতার মধ্যে টাকা লেনদেন হয়েছে, তাই এটা সাব কবলা করলে সরকার বড় ধরনের রাজস্ব পাবে। রাজস্ব আদায়ের কথা বলায় শহিদুল্লাহ সাবেক দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আলী হাসান খোকাকে এজলাসে ডেকে আনেন। তিনিও দলিলটি সম্পাদন করতে সাব-রেজিস্ট্রারকে চাপ প্রয়োগ করেন। সাব-রেজিস্ট্রার আবারও সরকারের রাজস্বের বিষয়টি বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আলী হাসান খোকা।
এ সময় আলী হাসান খোকা বাইরে থেকে আরও ১৫-২০ জন দলিল লেখককে ডেকে এনে সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরায় দলিল, অবিকল নকল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন এবং সাব-রেজিস্ট্রারকে খাস কামরায় অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে উদ্ধার করে।
সাব-রেজিস্ট্রার আবদুর রহমান মো. তামিম বলেন, ‘আমি জানতে পারি, তিনটি বালামে কাটাছেঁড়া ও ঘষামাজা করে জমির পরিমাণ জালিয়াতি করেছেন ফিরোজ মিয়া নামের এক দলিল লেখক। জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আমি অবস্থান নেওয়ায় দলিল লেখকেরা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন দলিল লেখক খাস কামরায় আমার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। সেই সঙ্গে আমাকে হত্যার হুমকি দেন। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।’
এ ব্যাপারে উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রারের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার তামিমের অসদাচরণে আমরা অতিষ্ঠ।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রার তামিমের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। মামলার ৫ নম্বর আসামি দলিল লেখক ইলিয়াছ আলীকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্তকাজ চলছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে