জামালপুর প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ১৮ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্বাচনে কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ কোনো প্রার্থী যদি না পান তাহলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৮০ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৬ হাজার ২৯৯ ভোটের। কিন্তু বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সায়েম মোহাম্মদ সা-আদাত উল করীম ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯৭ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. জাকির হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট, জাতীয় পার্টির (জেপি) বাবর আলী খান বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৮৮ ভোট, এনপিপির মো. রফিকুল ইসলাম আম প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট এবং বিএসপির মো. সাব্বিরুজ্জামান একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ২৬১ জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৭ হাজার ৩৮৩ ভোটের। কিন্তু বিএনএফের তারিখ মাহাদী টেলিভিশন প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৩ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ১২৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. আবুল কালাম আজাদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪০০ ভোট, জাসদের মো. গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৬ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৮১৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ১১১টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৬ হাজার ১৩৮ ভোটের। কিন্তু জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৭০ ভোট এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. নজরুল ইসলাম বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৭২০ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৭। ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৬৩৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ১৪ হাজার ২০৪ ভোট। কিন্তু জাতীয় পার্টির মোস্তফা আল মাহমুদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ২২০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী মন্ডল ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৭০৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক জিয়া ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মো. হোসেন রেজা বাবু সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ ভোট।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১ হাজার ৪৯৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ১৬২টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ১৪৫ ভোটের। কিন্তু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন গামছা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫৯ ভোট, জাতীয় পার্টির এসএম আবু সায়েম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৭০ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মো. গোলাম মোস্তফা সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ১১৭ ভোট। ফলে তিনজনই জামানত হারিয়েছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ১৮ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্বাচনে কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ কোনো প্রার্থী যদি না পান তাহলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৮০ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৬ হাজার ২৯৯ ভোটের। কিন্তু বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সায়েম মোহাম্মদ সা-আদাত উল করীম ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯৭ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. জাকির হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট, জাতীয় পার্টির (জেপি) বাবর আলী খান বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৮৮ ভোট, এনপিপির মো. রফিকুল ইসলাম আম প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট এবং বিএসপির মো. সাব্বিরুজ্জামান একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ২৬১ জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৭ হাজার ৩৮৩ ভোটের। কিন্তু বিএনএফের তারিখ মাহাদী টেলিভিশন প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৩ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ১২৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. আবুল কালাম আজাদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪০০ ভোট, জাসদের মো. গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৬ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৮১৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ১১১টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৬ হাজার ১৩৮ ভোটের। কিন্তু জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৭০ ভোট এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. নজরুল ইসলাম বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৭২০ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৭। ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৬৩৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ১৪ হাজার ২০৪ ভোট। কিন্তু জাতীয় পার্টির মোস্তফা আল মাহমুদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ২২০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী মন্ডল ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৭০৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক জিয়া ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মো. হোসেন রেজা বাবু সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ ভোট।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১ হাজার ৪৯৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ১৬২টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ১৪৫ ভোটের। কিন্তু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন গামছা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫৯ ভোট, জাতীয় পার্টির এসএম আবু সায়েম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৭০ ভোট, তৃণমূল বিএনপির মো. গোলাম মোস্তফা সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ১১৭ ভোট। ফলে তিনজনই জামানত হারিয়েছেন।

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
৬ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১২ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
২৯ মিনিট আগে