
হবিগঞ্জের মাধবপুরে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হিমেল (২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার ধর্মঘর-হরষপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হন এনায়েতুল্লাহ (২২) নামের একজন।
নিহত হিমেল ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই মোল্লা বাড়ির মোহন মিয়ার ছেলে। আহত এনায়েতুল্লাহ চৌমুহনী ইউনিয়নের আনন্দ গ্রামের বাসিন্দা। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে দুই যুবক একটি প্রাইভেট কার নিয়ে সড়কে ড্রাইভিং অনুশীলনে বের হন। গাড়ির গতি সামলাতে না পেরে একপর্যায়ে সেটি সড়কের পাশের গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের পর গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ওই দুই যুবক ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হিমেলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত এনায়েতুল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা জানান, নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঈদের আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮ ঘণ্টায় এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে বাস্তবতা হলো, কোরবানির পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। এই কর্মযজ্ঞ নজরদারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর সঠিক কারণ চার দিন পরও অজানা। তদন্ত কমিটির সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বিশুদ্ধ বাতাস চলাচলের সুবিধাহীন কক্ষটিতে অক্সিজেনস্বল্পতায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সেখানে স্প্লিট এসি রয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার লঙ্ঘন।
৩ ঘণ্টা আগে
ঈদের ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। গুটি আমের দাম কমতে কমতে ৭০০ টাকা মণে ঠেকেছে। গোপালভোগ আটকে আছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম বাড়তি। শুরুতেই এ আমের মণ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে আমের বাজার এলোমেলো হয়ে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘ঈদের (ঈদুল আজহা) আগের দিন রাতে আমার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) এবং দেড় বছরের ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেম ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়। তখন দুই লাশ এবং জীবিত সন্তানকে নিয়ে আমাকে একাই রেললাইন পার হতে হয়েছে। কাঁধে ছিল স্ত্রীর এবং বুকে ছিল সন্তানের লাশ; অন্য হাতে ছিল আমার আরেক মেয়ে এবং শপিং ব্যাগ। কিন্তু আমাকে সাহা
৩ ঘণ্টা আগে