
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিরাট (উজান পাড়া) গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় দিলকুশ মিয়া (৪০), মহিবুর মিয়া (৪৫) ও বারাম মিয়াকে (৪৮) হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন জয়নাল আবেদীন (৫৫), সেকুল মিয়া (৪৮), রুমন মিয়া (২২), উজ্জ্বল মিয়া (২০), পাবেল মিয়া (২৪), হুসাইন মিয়া (২১), কাবিল হোসেন (৩৫), নিজাম উদ্দিন (৫৫) ও মহিবুর রহমান (৪৫)। অন্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিরাট উজান পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ঈসমাইল হোসেন সরসের অনুসারীদের সঙ্গে বর্তমান ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমান মজুর সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে জলমহাল-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সরসপক্ষের মোতাহির মিয়ার ছেলে নীলয়ের সঙ্গে মজুপক্ষের মোতালিব মিয়ার ছেলে বজলু ও মহিবুরের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হন।
ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমান মজু বলেন, ‘জলমহাল-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজে যাওয়ার পথে আমার ছেলেকে মারধর করা হয়।’
সাবেক চেয়ারম্যান ঈসমাইল হোসেন সরসের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানিয়ে পরে কথা বলবেন বলে লাইন কেটে দেন।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন বলেন, দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় গজারি বনের পাশে আগুনে পোড়া এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে হত্যার পর শুকনো পাতা ও খড়কুটো দিয়ে মরদেহে আগুন দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
হরিনা গ্রামের সঞ্জয় মালোর সঙ্গে একই গ্রামের মাসুদ চৌধুরী ও দুলাল চৌধুরীর মধ্যে সরকারি জমি লিজ ও দখল-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শুক্রবার রাতে আগের বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে রোকন মোল্যা ও সঞ্জয় মালোর সমর্থকেরা প্রতিপক্ষ মাসুদ চৌধুরী...
১ ঘণ্টা আগে
কৃষকদের ভাষ্য, এ বছর প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ ও কীটনাশকে ব্যয় বেড়েছে। অথচ জাতভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা কেজিতে। হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় সংরক্ষণ নিয়েও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সমাজকর্মী বুলবুল হাসান বলেন, ‘রায়হানের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আমাদের বিমোহিত করে। সে সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদ হওয়ার চেষ্টা করছে। প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা পেলে সে বড় একটি দোকান দিয়ে পুরোপুরি স্বাবলম্বী হতে পারত।’
৩ ঘণ্টা আগে