গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলায় এক হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করা হয়। আজ রোববার সকালে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত নুরী বেগমের বাড়ি সদর উপজেলার হরিদাশপুর ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামে। আটক আশিকুর রহমান শেখ সদর উপজেলার হরিদাশপুর ইউনিয়নের মোচড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে ও তিনি গ্রাম পুলিশে চাকরি করতেন। এই দম্পতির ২০ মাসের কন্যা সন্তান আছে।
নিহত গৃহবধূর স্বামী আশিকের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ গৃহবধূর স্বজনদের। তাঁদের দাবি, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় গৃহবধূকে নির্যাতন করা হতো। গতকাল শনিবার রাতেও আশিকের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে নুরীকে মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ।
আজ রোববার সকালে নিহতের বোন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
আজ বিকেলে খাগাইল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ২০ মাস বয়সের ছোট্ট রাবেয়া তার খালার কোলে। খালাকে কাঁদতে দেখে সেও কান্না করছে। স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে আশপাশের মানুষেরা নুরীর বাড়িতে ভিড় করছেন।
এ সময় কথা হয় নুরীর বাবা নুরু মোল্লার সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, চার বছর আগে পার্শ্ববর্তী মোচড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে আশিকুরের সঙ্গে আমার মেয়েকে বিয়ে দেই। মেয়ে কালো হওয়ায় জামাই যখন যা চেয়েছে তাই দিয়েছি। নতুন মডেলের মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। দুবারে নগদ ৭০ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে আশিক। ২০ মাসের একটি বাচ্চা রয়েছে ওর ঘরে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’
নুরীর মা রাফেজা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে মাঝে মধ্যেই বাড়ির বাইরে রাত কাটাতে আশিক। প্রতিবাদ করলে নুরীর ওপর নির্যাতন চালাত। যখন যা চেয়েছে আশিক, তখন তাই দিয়েছি। মোটরসাইকেল কিনে দিছি, চেইন দিছি, টাকা দিছি মেয়ের সুখের জন্য। কিন্তু আশিক সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে অন্য মেয়ের পেছনে খরচ করছে। আমার মেয়েকে মেরে ফেলছে। আমি এর বিচার চাই। আশিকের ফাঁসি চাই।’
নুরীর বোন আছিয়া বেগম বলেন, ‘২০ মাসের বাচ্চার এখন কী হবে? আমার বোনকে এভাবে হত্যা করা হলো কেন? কী দোষ ছিল তার। এই দুধের বাচ্চার দায়িত্ব কে নেবে? আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।’
আশিকুরের ছোট বোন শৌখিন বলেন, ‘সকালে এসে আমার ভাইয়ের বউকে ধরে দেখি হাত–পা ঠান্ডা। এলাকার ওষুধের দোকান থেকে একজন এসে দেখছে, তা কিছু বলে নাই। পরে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তার বলে মারা গেছে। কিন্তু কী হয়েছে ভাই আর ভাইয়ের বউয়ের মধ্যে আমরা জানি না। তারা তাদের ঘরেই থাকত।’
শৌখিন আরও বলেন, ‘এর আগে কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে সেগুলো তার পরিবারের লোকজন নিয়ে আমরা বসে সমাধান করেছি। গতকাল রাতে কি হয়েছে আমরা পরিবারের আর কেউ জানি না।’
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, ‘সকালে নুরী বেগমের ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারি যে তার বোনকে বোন জামাই শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। তাঁর মরদেহ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠিয়েছি সেখানে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আশিকুরকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলায় এক হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করা হয়। আজ রোববার সকালে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত নুরী বেগমের বাড়ি সদর উপজেলার হরিদাশপুর ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামে। আটক আশিকুর রহমান শেখ সদর উপজেলার হরিদাশপুর ইউনিয়নের মোচড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে ও তিনি গ্রাম পুলিশে চাকরি করতেন। এই দম্পতির ২০ মাসের কন্যা সন্তান আছে।
নিহত গৃহবধূর স্বামী আশিকের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ গৃহবধূর স্বজনদের। তাঁদের দাবি, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় গৃহবধূকে নির্যাতন করা হতো। গতকাল শনিবার রাতেও আশিকের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে নুরীকে মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ।
আজ রোববার সকালে নিহতের বোন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
আজ বিকেলে খাগাইল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ২০ মাস বয়সের ছোট্ট রাবেয়া তার খালার কোলে। খালাকে কাঁদতে দেখে সেও কান্না করছে। স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে আশপাশের মানুষেরা নুরীর বাড়িতে ভিড় করছেন।
এ সময় কথা হয় নুরীর বাবা নুরু মোল্লার সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, চার বছর আগে পার্শ্ববর্তী মোচড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে আশিকুরের সঙ্গে আমার মেয়েকে বিয়ে দেই। মেয়ে কালো হওয়ায় জামাই যখন যা চেয়েছে তাই দিয়েছি। নতুন মডেলের মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। দুবারে নগদ ৭০ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে আশিক। ২০ মাসের একটি বাচ্চা রয়েছে ওর ঘরে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’
নুরীর মা রাফেজা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে মাঝে মধ্যেই বাড়ির বাইরে রাত কাটাতে আশিক। প্রতিবাদ করলে নুরীর ওপর নির্যাতন চালাত। যখন যা চেয়েছে আশিক, তখন তাই দিয়েছি। মোটরসাইকেল কিনে দিছি, চেইন দিছি, টাকা দিছি মেয়ের সুখের জন্য। কিন্তু আশিক সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে অন্য মেয়ের পেছনে খরচ করছে। আমার মেয়েকে মেরে ফেলছে। আমি এর বিচার চাই। আশিকের ফাঁসি চাই।’
নুরীর বোন আছিয়া বেগম বলেন, ‘২০ মাসের বাচ্চার এখন কী হবে? আমার বোনকে এভাবে হত্যা করা হলো কেন? কী দোষ ছিল তার। এই দুধের বাচ্চার দায়িত্ব কে নেবে? আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।’
আশিকুরের ছোট বোন শৌখিন বলেন, ‘সকালে এসে আমার ভাইয়ের বউকে ধরে দেখি হাত–পা ঠান্ডা। এলাকার ওষুধের দোকান থেকে একজন এসে দেখছে, তা কিছু বলে নাই। পরে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তার বলে মারা গেছে। কিন্তু কী হয়েছে ভাই আর ভাইয়ের বউয়ের মধ্যে আমরা জানি না। তারা তাদের ঘরেই থাকত।’
শৌখিন আরও বলেন, ‘এর আগে কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে সেগুলো তার পরিবারের লোকজন নিয়ে আমরা বসে সমাধান করেছি। গতকাল রাতে কি হয়েছে আমরা পরিবারের আর কেউ জানি না।’
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, ‘সকালে নুরী বেগমের ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারি যে তার বোনকে বোন জামাই শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। তাঁর মরদেহ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠিয়েছি সেখানে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আশিকুরকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
৩ মিনিট আগে
পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের টিকে থাকার স্বার্থে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনভেদে বিভক্তি থাকলেও পেশাগত স্বার্থে সাংবাদিকদের অবস্থান হওয়া উচিত অভিন্ন। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম...
৪ মিনিট আগে
গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দোকানকর্মীকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন লিটন চন্দ্র ঘোষ (৫৫) নামের এক হোটেল ব্যবসায়ী। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই পরিবারের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
১০ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার প্রতিবাদে এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমদের মনোনয়ন...
৩৩ মিনিট আগে