গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গতকাল বিকেলে টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ সড়কের মুকসুদপুর উপজেলার বানিয়ারচর বাজারের একটি দোকানঘরে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ঘটনায় বানিয়ারচর বাজারের মোবাইলের দোকান, ওষুধের দোকান, সিমেন্টের দোকান, পাট ও শুঁটকির আড়ত, চায়ের দোকান, ফার্নিচারের দোকানসহ মোট সাতটি দোকানঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাজৈর, মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের রহমান রাশেদ, পৌর মেয়র আইনজীবী আতিকুর রহমান মিয়া, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বানিয়ারচরের ফার্নিচার ব্যবসায়ী রাম মণ্ডল বলেন, `ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আমাদের প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমার দোকানের সব ফার্নিচার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি একদম পথে বসে গেছি। এখন কীভাবে বেঁচে থাকব জানি না। এখন সরকার যদি আমাদের সাহায্য করে, তাহলে আমরা বাঁচার পথ খুঁজে পেতে পারি।'
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, রাজৈর উপজেলার একটি ইউনিট, মুকসুদপুর উপজেলার দুটি ইউনিট ও গোপালগঞ্জের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে সাতটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গতকাল বিকেলে টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ সড়কের মুকসুদপুর উপজেলার বানিয়ারচর বাজারের একটি দোকানঘরে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ঘটনায় বানিয়ারচর বাজারের মোবাইলের দোকান, ওষুধের দোকান, সিমেন্টের দোকান, পাট ও শুঁটকির আড়ত, চায়ের দোকান, ফার্নিচারের দোকানসহ মোট সাতটি দোকানঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাজৈর, মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের রহমান রাশেদ, পৌর মেয়র আইনজীবী আতিকুর রহমান মিয়া, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বানিয়ারচরের ফার্নিচার ব্যবসায়ী রাম মণ্ডল বলেন, `ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আমাদের প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমার দোকানের সব ফার্নিচার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি একদম পথে বসে গেছি। এখন কীভাবে বেঁচে থাকব জানি না। এখন সরকার যদি আমাদের সাহায্য করে, তাহলে আমরা বাঁচার পথ খুঁজে পেতে পারি।'
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, রাজৈর উপজেলার একটি ইউনিট, মুকসুদপুর উপজেলার দুটি ইউনিট ও গোপালগঞ্জের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে সাতটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১০ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২০ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে