
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর পর মুক্তি পেয়েছেন পাকিস্তানি নাগরিক রইস খান। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কারাগার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পান তিনি। এরপর বেলা দেড়টার দিকে লাল রঙের একটি গাড়িতে করে কারাগারের মূল ফটক দিয়ে বের হয়ে যান।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রইস খান পাকিস্তানের করাচি জেলার গুলজার হিজরি থানার বাসিন্দা এবং দিন মোহাম্মদের ছেলে। তিনি রমনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, রইস খান ১৯৯৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে কারাভোগ করছিলেন। পরে ২০০৫ সালের ৭ জুলাই তাঁর সাজা নির্ধারিত হয়। চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর দণ্ডের মেয়াদ শেষ হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ‘মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দী’ হিসেবে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ অবস্থান করছিলেন।
সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আজ বিশেষ শাখার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে রইস খানকে দূতাবাসের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিরুদ্ধে নগরীতে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, সভা-সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা, পুলিশি বাধা, ধস্তাধস্তি, নারী এনসিপি কর্মীর গায়ে পুলিশ কর্মকর্তার হাত ও রাজনৈতিক উত্তেজনায় বিস্ফোরণোন্মুখ পরিস্থিতি ছিল গত দুদিন।
১২ মিনিট আগে
স্বপনের বাবা সিদ্দিক ব্যাপারী বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে দুটি ট্রলারে করে আনুমানিক ১৫ জন ডাকাত কালিদাসখালী চরে এসে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। একপর্যায়ে আমার ছেলে স্বপন ব্যাপারীকে গুলি করে তুলে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
২৬ মিনিট আগে
সকাল থেকে কিছু শিক্ষক-শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। মূল ফটকের সামনে জ্বালিয়ে দেওয়া মোটরসাইকেলের অংশবিশেষ এখনো পড়ে রয়েছে। ফটকের সামনে আসবাব ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল স্থানীয় কুড়িয়ানা বাজারে যান। রাত ৮টার পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরে কল করেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ওই রাতেই থানায় জিডি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে