টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদের ওপর বেইলি ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন টঙ্গী বাজারের ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁরা এ মানববন্ধন করেন। এ সময় বিআরটি প্রকল্পের উড়ালসেতুর টঙ্গী বাজার অংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ব্যবসায়ী ছাড়াও বিক্ষোভে অংশ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, টঙ্গী পূর্ব থানার দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান ব্যাপারী, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক বশির উদ্দিন, বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন বাট, রাশেদুল ইসলাম কিরণ, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা, সরকার শাহনূর ইসলাম রনি, টঙ্গী বাজার ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সাত্তারসহ টঙ্গী, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর ও কামারপাড়ার এলাকার ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, টঙ্গী বাজারটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাজার। এ বাজারে প্রায় ২৫ হাজার দোকানপাট রয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে প্রতিনিয়ত লাখো মানুষের সমাগম হয়। বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সড়ক চালু হওয়ার পর থেকে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা বেইলি ব্রিজটি বিআরটি কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেয়। এতে উত্তরার সঙ্গে টঙ্গীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তুরাগ নদের ওপর বেইলি ব্রিজটি এক বছর আগে ভেঙে দেওয়ায় বাজারে বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। বিআরটি ও সওজ কর্তৃপক্ষকে অসুবিধার কথা জানানো হলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ সময় বক্তারা নতুন বেইলি ব্রিজের দাবি জানান।
টঙ্গী সড়ক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এটি সেতু বিভাগের কাজ। বিষয়টি ইতিপূর্বে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আজ আবারও বিষয়টি অবগত করেছি।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদের ওপর বেইলি ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন টঙ্গী বাজারের ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁরা এ মানববন্ধন করেন। এ সময় বিআরটি প্রকল্পের উড়ালসেতুর টঙ্গী বাজার অংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ব্যবসায়ী ছাড়াও বিক্ষোভে অংশ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, টঙ্গী পূর্ব থানার দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান ব্যাপারী, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক বশির উদ্দিন, বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন বাট, রাশেদুল ইসলাম কিরণ, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা, সরকার শাহনূর ইসলাম রনি, টঙ্গী বাজার ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সাত্তারসহ টঙ্গী, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর ও কামারপাড়ার এলাকার ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, টঙ্গী বাজারটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাজার। এ বাজারে প্রায় ২৫ হাজার দোকানপাট রয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে প্রতিনিয়ত লাখো মানুষের সমাগম হয়। বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সড়ক চালু হওয়ার পর থেকে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা বেইলি ব্রিজটি বিআরটি কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেয়। এতে উত্তরার সঙ্গে টঙ্গীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তুরাগ নদের ওপর বেইলি ব্রিজটি এক বছর আগে ভেঙে দেওয়ায় বাজারে বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। বিআরটি ও সওজ কর্তৃপক্ষকে অসুবিধার কথা জানানো হলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ সময় বক্তারা নতুন বেইলি ব্রিজের দাবি জানান।
টঙ্গী সড়ক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এটি সেতু বিভাগের কাজ। বিষয়টি ইতিপূর্বে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আজ আবারও বিষয়টি অবগত করেছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে