রাতুল মণ্ডল, শ্রীপুর (গাজীপুর)

গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার অংশের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এমসি বাজার, নয়নপুর, জৈনা বাজার ও মাওনা পল্লী বিদ্যুৎ বাসস্ট্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে খানাখন্দে ভরা সড়কে গতকাল বর্ষার পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
এই মহাসড়ক দিয়ে পণ্যবাহী, গণপরিবহনসহ সব ধরনের যান ধীরগতিতে চলাচল করছে। এতে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের ভোগান্তি বেড়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দাবি, ধারাবাহিক বৃষ্টিতে বেশি ক্ষতি হয়েছে মহাসড়কের। তাতেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে বেশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুরের জৈনা বাজার থেকে মাধখলা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের বেশ কিছু পয়েন্টে খানাখন্দ। কোনো কোনো পয়েন্টে পিচঢালাই উঠে সড়কের নিচ থেকে ইটের সুরকি পর্যন্ত উঠে গেছে। যানবাহন চলাচলের সময় গর্তে জমা পানি ছিটকে পথচারীদের গায়ে পড়ছে।
এমসি বাজার বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় ইমাম পরিবহনের চালক আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সড়ক ভাঙাচোরা থাকার কারণে গাড়ি ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। গাড়িতে অনেক ঝাঁকি হচ্ছে। এ জন্য যাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত আমাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। আর সব সময় সড়কে গাড়ির জটলা লেগে থাকে।’
নয়নপুর বাসস্ট্যান্ডে পিকআপচালক নজরুল ইসলাম জানান, খানাখন্দে ভরা ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে পণ্যবাহী গাড়ি চালানোয় খুবই সমস্যা হচ্ছে। গাড়ির ইঞ্জিন বিকলসহ নানা সমস্যা। এক ঘণ্টার রাস্তা অনেক সময় তিন ঘণ্টা লাগছে। তাতে সময় ও তেলের খরচ দুটোই বেশি হচ্ছে।
মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুব মোর্শেদ বলেন, ‘খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মহাসড়কের খানাখন্দে ভরা অংশ মেরামতের মাধ্যমে ভোগান্তি দূর করবে।’
সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাজীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহার আগে বেশ কিছু অংশে সংস্কারকাজ করানো হয়েছে। ধারাবাহিক বৃষ্টির কারণে পুনরায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আবার সংস্কার করা হবে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার অংশের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এমসি বাজার, নয়নপুর, জৈনা বাজার ও মাওনা পল্লী বিদ্যুৎ বাসস্ট্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে খানাখন্দে ভরা সড়কে গতকাল বর্ষার পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
এই মহাসড়ক দিয়ে পণ্যবাহী, গণপরিবহনসহ সব ধরনের যান ধীরগতিতে চলাচল করছে। এতে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের ভোগান্তি বেড়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দাবি, ধারাবাহিক বৃষ্টিতে বেশি ক্ষতি হয়েছে মহাসড়কের। তাতেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে বেশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুরের জৈনা বাজার থেকে মাধখলা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের বেশ কিছু পয়েন্টে খানাখন্দ। কোনো কোনো পয়েন্টে পিচঢালাই উঠে সড়কের নিচ থেকে ইটের সুরকি পর্যন্ত উঠে গেছে। যানবাহন চলাচলের সময় গর্তে জমা পানি ছিটকে পথচারীদের গায়ে পড়ছে।
এমসি বাজার বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় ইমাম পরিবহনের চালক আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সড়ক ভাঙাচোরা থাকার কারণে গাড়ি ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। গাড়িতে অনেক ঝাঁকি হচ্ছে। এ জন্য যাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত আমাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। আর সব সময় সড়কে গাড়ির জটলা লেগে থাকে।’
নয়নপুর বাসস্ট্যান্ডে পিকআপচালক নজরুল ইসলাম জানান, খানাখন্দে ভরা ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে পণ্যবাহী গাড়ি চালানোয় খুবই সমস্যা হচ্ছে। গাড়ির ইঞ্জিন বিকলসহ নানা সমস্যা। এক ঘণ্টার রাস্তা অনেক সময় তিন ঘণ্টা লাগছে। তাতে সময় ও তেলের খরচ দুটোই বেশি হচ্ছে।
মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুব মোর্শেদ বলেন, ‘খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মহাসড়কের খানাখন্দে ভরা অংশ মেরামতের মাধ্যমে ভোগান্তি দূর করবে।’
সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাজীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহার আগে বেশ কিছু অংশে সংস্কারকাজ করানো হয়েছে। ধারাবাহিক বৃষ্টির কারণে পুনরায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আবার সংস্কার করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে