কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র মাহাথির মো. হিমেল খানকে (১৩) পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ মাদ্রাসার পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলার আবেদন করা হয়েছে।
মাহাথির মো. হিমেল খান গাজীপুর জেলার পুবাইলের হারবাইদ এলাকার প্রবাসী কবির খানের ছেলে। সে মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। গতকাল রোববার রাতে মামা শামীম আহমেদ বাদী হয়ে মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মুফতি মুহাম্মদুল্লাহসহ (৪৮) আরও দুইজনকে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় মামলার জন্য আবেদন করেন। মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ পুবাইল থানার তালটিয়া এলাকার মৃত হাছেন আলীর ছেলে।
এর আগে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নের নগরভেলা এলাকার নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মাহাথিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কালীগঞ্জ থানা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিমূলে (জিডি) ঘটনাস্থল নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে এমন ধারণার কথা সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করলেও মাহাথিরের মৃত্যু আঘাতজনিত বা অন্য কোনো কারণে হয়েছে কি না, তা জানতে চেয়ে ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করেছে পুলিশ।
মামা শামীম আহমেদ বলেন, ‘গত শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে মাদ্রাসাশিক্ষক মুফতি জহিরউদ্দিন খন্দকারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে কল করে জানান মাহাথির মো. হিমেল খান অসুস্থ। তাকে নিয়ে তিনি মৈনারটেক এলাকার এস্টার হাসপাতালে যাচ্ছেন। আপনিও আসেন। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে যাওয়ার পথে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে তেরমোখ ব্রিজের ওপরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে হিমেলকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে থাকা মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মুফতি মুহাম্মদুল্লাহর কাছে হিমেলের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। সে সময় লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। পরে মাদ্রাসায় গেলে অন্য ছাত্ররা জানায় হিমেলকে মৃত অবস্থায় মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর বিষয়টি কালীগঞ্জ থানায় অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ থানায় নিয়ে যায়।’
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে হিমেলকে হত্যা করে মাদ্রাসার পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মধুসূদন পাণ্ডে বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর জিডি করা হয়েছে। পরে রোববার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পরবর্তী সময়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কালীগঞ্জ থানার এসআই প্রদীপ কুমার সাহাজী বলেন, রোববার রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র মাহাথির মো. হিমেল খানকে (১৩) পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ মাদ্রাসার পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলার আবেদন করা হয়েছে।
মাহাথির মো. হিমেল খান গাজীপুর জেলার পুবাইলের হারবাইদ এলাকার প্রবাসী কবির খানের ছেলে। সে মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। গতকাল রোববার রাতে মামা শামীম আহমেদ বাদী হয়ে মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মুফতি মুহাম্মদুল্লাহসহ (৪৮) আরও দুইজনকে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় মামলার জন্য আবেদন করেন। মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ পুবাইল থানার তালটিয়া এলাকার মৃত হাছেন আলীর ছেলে।
এর আগে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নের নগরভেলা এলাকার নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মাহাথিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কালীগঞ্জ থানা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিমূলে (জিডি) ঘটনাস্থল নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে এমন ধারণার কথা সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করলেও মাহাথিরের মৃত্যু আঘাতজনিত বা অন্য কোনো কারণে হয়েছে কি না, তা জানতে চেয়ে ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করেছে পুলিশ।
মামা শামীম আহমেদ বলেন, ‘গত শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে মাদ্রাসাশিক্ষক মুফতি জহিরউদ্দিন খন্দকারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে কল করে জানান মাহাথির মো. হিমেল খান অসুস্থ। তাকে নিয়ে তিনি মৈনারটেক এলাকার এস্টার হাসপাতালে যাচ্ছেন। আপনিও আসেন। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে যাওয়ার পথে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে তেরমোখ ব্রিজের ওপরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে হিমেলকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে থাকা মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মুফতি মুহাম্মদুল্লাহর কাছে হিমেলের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। সে সময় লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। পরে মাদ্রাসায় গেলে অন্য ছাত্ররা জানায় হিমেলকে মৃত অবস্থায় মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর বিষয়টি কালীগঞ্জ থানায় অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ থানায় নিয়ে যায়।’
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে হিমেলকে হত্যা করে মাদ্রাসার পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
নগরভেলা মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মধুসূদন পাণ্ডে বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর জিডি করা হয়েছে। পরে রোববার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পরবর্তী সময়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কালীগঞ্জ থানার এসআই প্রদীপ কুমার সাহাজী বলেন, রোববার রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
২২ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
২৯ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
৩৩ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে