গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর-১ ও ৫ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত লাঙল প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন। আজ রোববার বিকেলে তিনি নির্বাচন না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এম এম নিয়াজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি আমার একান্ত ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে ভিন্ন কোনো কারণ নেই। কারও কোনো চাপ বা ইশারায় নয়, নিজের ইচ্ছাতেই নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
নিয়াজ উদ্দিন আরও বলেন, ‘দুই-এক দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।
সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে গাজীপুরের দুটি আসনে (গাজীপুর-১ ও ৫) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ দুটি আসনে জাতীয় পার্টি থেকে আরও দুজন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র বাছাইকালে ঋণখেলাপের কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা গাজীপুর-১ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছিলেন। তবে গাজীপুর-৫ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করে গাজীপুর-১ আসনের মনোনয়নপত্রেরও বৈধতা পান। জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
প্রতীক বরাদ্দের পরও নির্বাচনে মাঠে সক্রিয় হননি নিয়াজ উদ্দিন। এ কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছিলেন।

গাজীপুর-১ ও ৫ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত লাঙল প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন। আজ রোববার বিকেলে তিনি নির্বাচন না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এম এম নিয়াজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি আমার একান্ত ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে ভিন্ন কোনো কারণ নেই। কারও কোনো চাপ বা ইশারায় নয়, নিজের ইচ্ছাতেই নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
নিয়াজ উদ্দিন আরও বলেন, ‘দুই-এক দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।
সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে গাজীপুরের দুটি আসনে (গাজীপুর-১ ও ৫) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ দুটি আসনে জাতীয় পার্টি থেকে আরও দুজন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র বাছাইকালে ঋণখেলাপের কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা গাজীপুর-১ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছিলেন। তবে গাজীপুর-৫ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করে গাজীপুর-১ আসনের মনোনয়নপত্রেরও বৈধতা পান। জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
প্রতীক বরাদ্দের পরও নির্বাচনে মাঠে সক্রিয় হননি নিয়াজ উদ্দিন। এ কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছিলেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে