
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জেলা পরিষদ বিভাগ তিনটি আদেশে গাজীপুর জেলা পরিষদের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। তার মধ্যে একজন কর্মচারীকে পদায়ন করা হলেও শূন্য রয়েছে সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ। তবে তাঁদের চেয়ারে বসে দাপ্তরিক কাজ করছেন অন্য কেউ। এদিকে, প্রয়োজনীয় সেবা না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন সেবাপ্রার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মোছা. সেলিনা বানু স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. রেজোয়ান রহমান ও এনামুল হককে বদলি করা হয়। গত ৪ এপ্রিল সেলিনা বানু স্বাক্ষরিত অপর অফিস আদেশে জেলা পরিষদের সাঁটলিপিকার প্লাবন আলী, গাড়িচালক মো. মাহামুদুল হাসান, নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মো. হারুন অর রশিদ, ডিএমও কাম দপ্তরি মো. খোকন মিয়া, অফিস সহায়ক সনিয়া আক্তারকে বদলি করা হয়। এ ছাড়া ১৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে গাজীপুর জেলা পরিষদের উপসহকারী প্রকৌশলী (প্রেষণ) মো. রফিকুল ইসলামকে বদলি করা হয়।
গতকাল বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, গাজীপুর পরিষদের দোতলার উচ্চমান সহকারীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন কায়সার নামে এক যুবক। গণমাধ্যমকর্মীদের আগমনে অফিস ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। নিম্নমান সহকারীর চেয়ারে বসে কাজ করছিলেন অপর যুবক। কিন্তু নিজের নাম বলতেও রাজি হননি তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, একযোগে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলির পর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অবৈধভাবে নিজস্ব লোক বসিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সেবাপ্রার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল থেকে একটি কাজের জন্য আসছি। অফিসে গিয়ে কোনো কর্মকর্তাকে পাইনি। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ফোনও বন্ধ। কী আর করব, বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।’
ওয়াসিম আকরাম নামে এক ঠিকাদার বলেন, একটি কাজের বিলের জন্য কয়েক দিন ধরে ঘুরছেন। কিন্তু কোনো কর্মকর্তাকে না পাওয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজ রেডি করতে পারছেন না।
গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাই উচ্চমান সহকারী কর্মকর্তারা কার্যালয়ের চেয়ারে বসে কে কাজ করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাঁদের নিয়োগ নেই। অফিসে কী করে কাজ করছেন এ বিষয়ে আমি বলতে পারব না। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন।’
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। ফোন করলে প্রশাসক ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী ফোন রিসিভ করেননি। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা পাঠালেও জবাব দেননি তিনি।

‘কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি-কর্ণে/ আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে...’—কাজী নজরুল ইসলামের এই মনোমুগ্ধকর গান মনে করিয়ে দেয় কৃষ্ণচূড়ার তাৎপর্য; একই সঙ্গে মানিকগঞ্জে গ্রীষ্মের চিত্র। তপ্ত বৈশাখের দুপুরে যখন সূর্য আগুন ঢেলে দেয় মাটির বুকে, তখন ঠিক এমনই এক লাল বিস্ফোরণ ছড়িয়ে পড়ে পথের ধারে...
১ ঘণ্টা আগে
ইলুর দাবি, মামলা-মোকদ্দমায় দৈন্যদশায় পড়েছিলেন কমর বেগমের মেয়ে রেজিনা জামাল। তাই ১৯৯১ সালের দিকে তিনি এই পালঙ্ক বিক্রি করেন। তিন মাসের বেতনের টাকা জমিয়ে কমর বেগমের পালঙ্কটি কিনেছিলেন তাঁর স্কুলশিক্ষক বাবা আবদুর রহমান খান।
১ ঘণ্টা আগে
দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক স্বপ্ন নিয়ে নদীতে নেমেছিলেন লক্ষ্মীপুরের জেলেরা। তবে দেখা মেলেনি কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। অথচ এখন ইলিশের ভরা মৌসুম। ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পড়ার কথা। কিন্তু ঘাটে অলস সময় কাটছে জেলেদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেঘনা নদীতে নাব্যতা-সংকট ও ডুবোচরের কারণে সাগর থেকে ইলিশ আসতে বাধার মুখে পড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাঙামাটি জেলা পরিষদের প্রকৌশল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. এরশাদুল হক মণ্ডল। একসময়ের বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর জেলা শাখার সভাপতি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ। জানা গেছে, জুলাই ’২৪ এর পর ভোল পাল্টান এরশাদুল। হয়ে ওঠেন বৈষম্যবিরোধী।
১ ঘণ্টা আগে