মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, গাজীপুর

প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনবল সংকটে ধুঁকছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি)। মেয়রহীন সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ ৯টি পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। এ কারণে অর্ধকোটির বেশি বাসিন্দার সেবা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।
এদিকে কর্তৃপক্ষ বলছে, শূন্যপদে জনবল পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। নিয়োগ বিধি অনুমোদন না হওয়ায় নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।
জিসিসি সূত্র জানায়, গাজীপুর পৌরসভা ও টঙ্গী পৌরসভার ৩২৯ দশমিক ৯০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি গঠিত হয় জিসিসি। নগরীর বর্তমান বাসিন্দা ৬০ লাখের বেশি। প্রতিষ্ঠাকালে দুই পৌরসভার জনবল নিয়েই এর যাত্রা শুরু হয়। জনবলকাঠামো ও নিয়োগ বিধি না থাকায় স্থায়ী জনবল নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে গঠনের ১০ বছর পর ২০২২ সালে জিসিসির জনবলকাঠামো অনুমোদন হয়। কিন্তু গত ৩ বছরেও জনবল নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদন হয়নি। ফলে জিসিসি যে তিমিরে ছিল ১২ বছর পরও রয়ে গেছে সেই তিমিরে।
গাজীপুর নাগরিক ফোরামের সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন শুধু নামেই হয়েছে। মহানগরীর কোথাও নাগরিক সুবিধার চিহ্ন দেখা যায় না। মেয়র না থাকা, দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকায় সেবার মান পৌরসভা আমলের চেয়ে এক কানাকড়িও বাড়েনি। বরং বেড়েছে জনদুর্ভোগ ও হয়রানি।
সেবার জন্য নগর ভবনে গেলেই শোনা যায় ‘লোক নাই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ/পদায়ন করা না হয়, তাহলে এত বড় সিটি করপোরেশন গঠন করে নগরবাসীকে বাড়তি করের বোঝা ও হয়রানিতে ফেলার কী দরকার ছিল? দ্রুত শূন্যপদে পদায়ন ও নিয়োগ বিধি অনুমোদন করে নতুন লোক নিয়োগের দাবি জানান তিনি।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, জিসিসির সব উন্নয়ন, সংস্কার, রাস্তা-ঘাট-ব্রিজ ইত্যাদি নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে প্রকৌশল বিভাগ। সেই প্রকৌশল বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নেই। জিসিসির ৮টি অঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগে দুজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, ৮ জন নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত অধিকাংশ প্রকৌশলী বর্তমানে চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়াও জিসিসির সচিব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রোগ্রামার, ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ৮টি পদ শূন্য রয়েছে।
গাজীপুর জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক এ এন এম মুনীর হোসাইন মোল্লা বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠনের পর ১২ বছর হয়ে গেলেও বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। সর্বত্র অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সড়ক-মহাসড়কের পাশে আবর্জনার ভাগাড়, ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, সড়ক-মহাসড়ক এমনকি গলিপথেও যানজট থাকে। অপ্রতুল ট্রাফিক ব্যবস্থা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও পয়োনিষ্কাশনে ব্যবস্থা। এসব নিয়ে কারও কোনো চিন্তা নেই।
জিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান (যুগ্ম সচিব) গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো দীর্ঘদিন শূন্য থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, সিটি করপোরেশন হলেও আমরা এখনো পৌরসভার জনবল দিয়েই কাজ চালাচ্ছি। আমাদের এখানে জনবলসংকট আছে। এ কারণে আমরা অনেক সময় নাগরিকদের সঠিক সময়ে সেবা দিতে পারছি না। শূন্যপদ পূরণ ও নতুন জনবল নিয়োগ হলে আমাদের সংকট কাটবে, সেবার মানও বাড়বে।
জিসিসির প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকারী ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর জিসিসিকে নাগরিকবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। গুরুত্বপূর্ণ শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। নতুন লোক নিয়োগ-পদোন্নতি প্রদানের জন্য নিয়োগ বিধিমালা প্রয়োজন। এটি এখনো অনুমোদন না হওয়ায় নিয়োগ-পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। আশা করা যায়, খুব দ্রুতই এসবের সমাধান পাওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনবল সংকটে ধুঁকছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি)। মেয়রহীন সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ ৯টি পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। এ কারণে অর্ধকোটির বেশি বাসিন্দার সেবা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।
এদিকে কর্তৃপক্ষ বলছে, শূন্যপদে জনবল পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। নিয়োগ বিধি অনুমোদন না হওয়ায় নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।
জিসিসি সূত্র জানায়, গাজীপুর পৌরসভা ও টঙ্গী পৌরসভার ৩২৯ দশমিক ৯০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি গঠিত হয় জিসিসি। নগরীর বর্তমান বাসিন্দা ৬০ লাখের বেশি। প্রতিষ্ঠাকালে দুই পৌরসভার জনবল নিয়েই এর যাত্রা শুরু হয়। জনবলকাঠামো ও নিয়োগ বিধি না থাকায় স্থায়ী জনবল নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে গঠনের ১০ বছর পর ২০২২ সালে জিসিসির জনবলকাঠামো অনুমোদন হয়। কিন্তু গত ৩ বছরেও জনবল নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদন হয়নি। ফলে জিসিসি যে তিমিরে ছিল ১২ বছর পরও রয়ে গেছে সেই তিমিরে।
গাজীপুর নাগরিক ফোরামের সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন শুধু নামেই হয়েছে। মহানগরীর কোথাও নাগরিক সুবিধার চিহ্ন দেখা যায় না। মেয়র না থাকা, দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকায় সেবার মান পৌরসভা আমলের চেয়ে এক কানাকড়িও বাড়েনি। বরং বেড়েছে জনদুর্ভোগ ও হয়রানি।
সেবার জন্য নগর ভবনে গেলেই শোনা যায় ‘লোক নাই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ/পদায়ন করা না হয়, তাহলে এত বড় সিটি করপোরেশন গঠন করে নগরবাসীকে বাড়তি করের বোঝা ও হয়রানিতে ফেলার কী দরকার ছিল? দ্রুত শূন্যপদে পদায়ন ও নিয়োগ বিধি অনুমোদন করে নতুন লোক নিয়োগের দাবি জানান তিনি।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, জিসিসির সব উন্নয়ন, সংস্কার, রাস্তা-ঘাট-ব্রিজ ইত্যাদি নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে প্রকৌশল বিভাগ। সেই প্রকৌশল বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নেই। জিসিসির ৮টি অঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগে দুজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, ৮ জন নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত অধিকাংশ প্রকৌশলী বর্তমানে চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়াও জিসিসির সচিব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রোগ্রামার, ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ৮টি পদ শূন্য রয়েছে।
গাজীপুর জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক এ এন এম মুনীর হোসাইন মোল্লা বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠনের পর ১২ বছর হয়ে গেলেও বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। সর্বত্র অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সড়ক-মহাসড়কের পাশে আবর্জনার ভাগাড়, ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, সড়ক-মহাসড়ক এমনকি গলিপথেও যানজট থাকে। অপ্রতুল ট্রাফিক ব্যবস্থা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও পয়োনিষ্কাশনে ব্যবস্থা। এসব নিয়ে কারও কোনো চিন্তা নেই।
জিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান (যুগ্ম সচিব) গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো দীর্ঘদিন শূন্য থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, সিটি করপোরেশন হলেও আমরা এখনো পৌরসভার জনবল দিয়েই কাজ চালাচ্ছি। আমাদের এখানে জনবলসংকট আছে। এ কারণে আমরা অনেক সময় নাগরিকদের সঠিক সময়ে সেবা দিতে পারছি না। শূন্যপদ পূরণ ও নতুন জনবল নিয়োগ হলে আমাদের সংকট কাটবে, সেবার মানও বাড়বে।
জিসিসির প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকারী ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর জিসিসিকে নাগরিকবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। গুরুত্বপূর্ণ শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। নতুন লোক নিয়োগ-পদোন্নতি প্রদানের জন্য নিয়োগ বিধিমালা প্রয়োজন। এটি এখনো অনুমোদন না হওয়ায় নিয়োগ-পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। আশা করা যায়, খুব দ্রুতই এসবের সমাধান পাওয়া যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে