
গাজীপুরের শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলি-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শ্রীপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. নূরে আলম মোল্লা।
মো. নূরে আলম মোল্লা শ্রীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে আক্তার খান (৪০), হাসান খন্দকার (৪২), মাহবুব (৩২) ও ফারুক মিয়ার (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লা বলেন, ‘আমাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে এর কয়েক ঘণ্টা পর মোটরসাইকেলযোগে এসে আমার বাসায় হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এরপর আমার বাসায় পেট্রল ছুড়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। যার সব প্রমাণ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে রয়েছে। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হলেও সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে যাঁদেরকে আমি চিনতে পেরেছি তাঁদের নাম এজাহারে উল্লেখ করেছি। আমার বিশ্বাস দ্রুত সময়ের মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্ জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলির ঘটনায় থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। এজাহারে সন্দেহভাজন চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ গভীর তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লার বাড়িতে মোটরসাইকেলযোগে পাঁচজন দুর্বৃত্ত এসে কয়েক রাউন্ড গুলি ও পেট্রল ছুড়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলি-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শ্রীপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. নূরে আলম মোল্লা।
মো. নূরে আলম মোল্লা শ্রীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে আক্তার খান (৪০), হাসান খন্দকার (৪২), মাহবুব (৩২) ও ফারুক মিয়ার (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লা বলেন, ‘আমাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে এর কয়েক ঘণ্টা পর মোটরসাইকেলযোগে এসে আমার বাসায় হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এরপর আমার বাসায় পেট্রল ছুড়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। যার সব প্রমাণ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে রয়েছে। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হলেও সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে যাঁদেরকে আমি চিনতে পেরেছি তাঁদের নাম এজাহারে উল্লেখ করেছি। আমার বিশ্বাস দ্রুত সময়ের মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্ জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলির ঘটনায় থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। এজাহারে সন্দেহভাজন চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ গভীর তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লার বাড়িতে মোটরসাইকেলযোগে পাঁচজন দুর্বৃত্ত এসে কয়েক রাউন্ড গুলি ও পেট্রল ছুড়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে