এমাম হোসেন, দাগনভূঞা (ফেনী)

ফেনীর দাগনভূঞায় যমজ বোন ২০২৪-২৫ সেশনে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁরা হলেন তাসীন তাসফিয়া ও তানহা তাবাসসুম।
এর মধ্যে তাসফিয়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ আর তাবাসসুম সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের বাবা চণ্ডীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মা দক্ষিণ জগৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
তাসফিয়া ও তাবাসসুম ছোটবেলা থেকে ছিলেন মেধাবী। উভয়ে উদরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন।
দাগনভূঞা আতাতুর্ক মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ-৫। আর এইচএসসিতে নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাঁরা।
তাসীন তাসফিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল, সহযোগিতা ছিল। আমরা দুজনে কে কী পড়ছি, তা শেয়ার করেছি, আবার পরীক্ষায় কেউ কারও থেকে কম পাব না, এটাও মাথায় রেখে পড়াশোনা করেছি। এভাবেই শেষ পর্যন্ত মেডিকেলে সুযোগ পেয়েছি আমরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে আরও বেশি ভালো লাগত, যদি আমাদের দাদা ও নানা বেঁচে থাকতেন। আমাদের এ সাফল্যে তাঁরা সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন।’
তাঁর বোন তানহা তাবাসসুম বলেন, ‘একা চান্স পেলে হয়তো এত আনন্দ লাগত না। দুজনে একসঙ্গে চান্স পাওয়ার অনুভূতিটা নিজে চান্স পাওয়ার আনন্দের চেয়ে অনেক বেশি।’
দুজনে প্রতিযোগিতার সঙ্গে পড়াশোনা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মেডিকেলে ভর্তির প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য কোচিংয়ে মডেল টেস্ট দিয়ে এসে দুজনই দেখতাম, আমাদের কার কোথায় ভুল হচ্ছে। আমারটা ও ধরিয়ে দিত, আর আমি তারটা। মা-বাবার স্বপ্ন ছিল, আমরা মেডিকেলে চান্স পাব, ডাক্তার হব। তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। মা-বাবাও আমাদের ওপর খুশি।’
তাঁদের মা সুলতানা রাজিয়া আরজু বলেন, ‘তাসীন ও তানহার পড়াশোনার হাতেখড়ি আমার কাছেই। প্রাইমারি থেকেই তাদের পড়াশোনার বেশ আগ্রহ ছিল। সব ক্লাসেই তাদের রেজাল্ট ভালো ছিল। এখন মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। এর চেয়ে বেশি আনন্দের আর কী হতে পারে। এই অনুভূতি বলে প্রকাশ করার মতো নয়।’
বাবা কামাল উদ্দিন সোহাগ বলেন, ‘স্কুল থেকেই যেকোনো বিষয়ে তাদের একটু দেখিয়ে দিলেই বাকিটা তারা নিজে নিজে করে ফেলত। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই শিক্ষক। আমাদের কাছে সব ছাত্রছাত্রীই সন্তানের মতো। তাই অন্য শিক্ষার্থীদের যেমন পড়াশোনার ব্যাপারে গাইড করতাম, আমাদের সন্তানদেরও তেমনই করেছি।’
আতাতুর্ক সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের সাবেক সাতজন শিক্ষার্থী ২০২৪-২৫ সেশনে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষক দম্পতির যমজ সন্তান রয়েছে। এ জন্য আমরা শিক্ষকেরা অত্যন্ত গর্বিত। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।’

ফেনীর দাগনভূঞায় যমজ বোন ২০২৪-২৫ সেশনে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁরা হলেন তাসীন তাসফিয়া ও তানহা তাবাসসুম।
এর মধ্যে তাসফিয়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ আর তাবাসসুম সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের বাবা চণ্ডীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মা দক্ষিণ জগৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
তাসফিয়া ও তাবাসসুম ছোটবেলা থেকে ছিলেন মেধাবী। উভয়ে উদরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন।
দাগনভূঞা আতাতুর্ক মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ-৫। আর এইচএসসিতে নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাঁরা।
তাসীন তাসফিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল, সহযোগিতা ছিল। আমরা দুজনে কে কী পড়ছি, তা শেয়ার করেছি, আবার পরীক্ষায় কেউ কারও থেকে কম পাব না, এটাও মাথায় রেখে পড়াশোনা করেছি। এভাবেই শেষ পর্যন্ত মেডিকেলে সুযোগ পেয়েছি আমরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে আরও বেশি ভালো লাগত, যদি আমাদের দাদা ও নানা বেঁচে থাকতেন। আমাদের এ সাফল্যে তাঁরা সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন।’
তাঁর বোন তানহা তাবাসসুম বলেন, ‘একা চান্স পেলে হয়তো এত আনন্দ লাগত না। দুজনে একসঙ্গে চান্স পাওয়ার অনুভূতিটা নিজে চান্স পাওয়ার আনন্দের চেয়ে অনেক বেশি।’
দুজনে প্রতিযোগিতার সঙ্গে পড়াশোনা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মেডিকেলে ভর্তির প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য কোচিংয়ে মডেল টেস্ট দিয়ে এসে দুজনই দেখতাম, আমাদের কার কোথায় ভুল হচ্ছে। আমারটা ও ধরিয়ে দিত, আর আমি তারটা। মা-বাবার স্বপ্ন ছিল, আমরা মেডিকেলে চান্স পাব, ডাক্তার হব। তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। মা-বাবাও আমাদের ওপর খুশি।’
তাঁদের মা সুলতানা রাজিয়া আরজু বলেন, ‘তাসীন ও তানহার পড়াশোনার হাতেখড়ি আমার কাছেই। প্রাইমারি থেকেই তাদের পড়াশোনার বেশ আগ্রহ ছিল। সব ক্লাসেই তাদের রেজাল্ট ভালো ছিল। এখন মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। এর চেয়ে বেশি আনন্দের আর কী হতে পারে। এই অনুভূতি বলে প্রকাশ করার মতো নয়।’
বাবা কামাল উদ্দিন সোহাগ বলেন, ‘স্কুল থেকেই যেকোনো বিষয়ে তাদের একটু দেখিয়ে দিলেই বাকিটা তারা নিজে নিজে করে ফেলত। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই শিক্ষক। আমাদের কাছে সব ছাত্রছাত্রীই সন্তানের মতো। তাই অন্য শিক্ষার্থীদের যেমন পড়াশোনার ব্যাপারে গাইড করতাম, আমাদের সন্তানদেরও তেমনই করেছি।’
আতাতুর্ক সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের সাবেক সাতজন শিক্ষার্থী ২০২৪-২৫ সেশনে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষক দম্পতির যমজ সন্তান রয়েছে। এ জন্য আমরা শিক্ষকেরা অত্যন্ত গর্বিত। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।’

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
১৩ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১৯ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
৩৬ মিনিট আগে