ফেনী প্রতিনিধি

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার পদে লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে ২০ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার সকালে শহরের চারটি কেন্দ্রে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করে। এতে ৫ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের সঙ্গে ছবির মিল না থাকায় ফেনী সরকারি কলেজ ও সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে থেকে ৭ জন, সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৭ জন ও শাহিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়।
ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বলেন, শহরের চারটি কেন্দ্রে ৫ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এতে একজনের বদলে আরেকজন পরীক্ষা (প্রক্সি) দিতে এলে ২০ জনকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন রংপুরের মোহাম্মদ রুবেল, ফয়সাল মিয়া, রফিকুল ইসলাম, তারেক হোসেন, মিঠু সরকার; কিশোরগঞ্জের মোহাম্মদ খলিল, মুজাহিদ, আমির আলী; বগুড়ার মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ, ইদ্রিস আলী, গাইবান্ধার মাজহারুল ইসলাম, আরশাদ উজ্জামান, সাহেদ জুয়েল, নেত্রকোনার আরিফুল ইসলাম; লালমনিরহাটের মোহাম্মদ মুসফিকুর; দিনাজপুরের আল আমিন; শরীয়তপুরের আমিনুল ইসলাম, শেরপুরের সুমন মিয়া, রাজবাড়ীর আকমল হোসেন ও বরগুনার মোহাম্মদ রাসেল।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার পদে লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে ২০ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার সকালে শহরের চারটি কেন্দ্রে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করে। এতে ৫ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের সঙ্গে ছবির মিল না থাকায় ফেনী সরকারি কলেজ ও সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে থেকে ৭ জন, সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৭ জন ও শাহিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়।
ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বলেন, শহরের চারটি কেন্দ্রে ৫ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এতে একজনের বদলে আরেকজন পরীক্ষা (প্রক্সি) দিতে এলে ২০ জনকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন রংপুরের মোহাম্মদ রুবেল, ফয়সাল মিয়া, রফিকুল ইসলাম, তারেক হোসেন, মিঠু সরকার; কিশোরগঞ্জের মোহাম্মদ খলিল, মুজাহিদ, আমির আলী; বগুড়ার মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ, ইদ্রিস আলী, গাইবান্ধার মাজহারুল ইসলাম, আরশাদ উজ্জামান, সাহেদ জুয়েল, নেত্রকোনার আরিফুল ইসলাম; লালমনিরহাটের মোহাম্মদ মুসফিকুর; দিনাজপুরের আল আমিন; শরীয়তপুরের আমিনুল ইসলাম, শেরপুরের সুমন মিয়া, রাজবাড়ীর আকমল হোসেন ও বরগুনার মোহাম্মদ রাসেল।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রামের কক্সবাজারে রহিদ বড়ুয়া (১৯) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিজিবি ক্যাম্পের পশ্চিমপাড়ায় বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
১৮ মিনিট আগে
অনেকটা পাগলের মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী, এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। এসব খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক...
১৯ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মেডলার গ্রুপ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানা যা
১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। গুমের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিন শুরু
১ ঘণ্টা আগে