ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে আজ রোববার সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার অভিযোগে চার মেম্বার প্রার্থীসহ মোট ১৬ জনকে আটক করা হয়।
সকালে ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তর মন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বার প্রার্থী আবুল কালাম, শওকত জোবায়ের, মো. সোহেল রানা ও মো. সেলিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ছাড়া মহামায়া ইউনিয়নে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নৌকার ২ এজেন্টসহ ১ সহকারী পোলিং অফিসারকে আটক করা হয়।
একই ইউনিয়নে অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির অভিযোগে দুপুরে নির্বাচন বর্জন করেছেন জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন।
জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, প্রশাসনের চোখের সামনে বহিরাগতরা ভোট গ্রহণ শুরুর আগের রাত থেকে ভোটকেন্দ্র দখল করেছে। এ কারণে ভোটকেন্দ্রে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নুরুল আমিন আরও বলেন, তাঁর অনেক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন সরকার দলীয়রা। এ ছাড়া ভোটাররা ভয়ে পালিয়ে গেছেন। অনেকে ভোট দিতে পারেননি।
এদিকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভোট গ্রহণ শুরুর পর বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করায় মোট ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান জানান, পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধুগ্রাম কেন্দ্রের বুথে গোপন কক্ষে প্রবেশ করে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় পোলিং কর্মকর্তা নাসিমা বেগমকে প্রত্যাহার করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমি বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতির নজর রেখেছি। এ সময় অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

ফেনীর ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে আজ রোববার সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার অভিযোগে চার মেম্বার প্রার্থীসহ মোট ১৬ জনকে আটক করা হয়।
সকালে ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তর মন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বার প্রার্থী আবুল কালাম, শওকত জোবায়ের, মো. সোহেল রানা ও মো. সেলিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ছাড়া মহামায়া ইউনিয়নে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নৌকার ২ এজেন্টসহ ১ সহকারী পোলিং অফিসারকে আটক করা হয়।
একই ইউনিয়নে অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির অভিযোগে দুপুরে নির্বাচন বর্জন করেছেন জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন।
জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, প্রশাসনের চোখের সামনে বহিরাগতরা ভোট গ্রহণ শুরুর আগের রাত থেকে ভোটকেন্দ্র দখল করেছে। এ কারণে ভোটকেন্দ্রে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নুরুল আমিন আরও বলেন, তাঁর অনেক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন সরকার দলীয়রা। এ ছাড়া ভোটাররা ভয়ে পালিয়ে গেছেন। অনেকে ভোট দিতে পারেননি।
এদিকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভোট গ্রহণ শুরুর পর বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করায় মোট ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান জানান, পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধুগ্রাম কেন্দ্রের বুথে গোপন কক্ষে প্রবেশ করে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় পোলিং কর্মকর্তা নাসিমা বেগমকে প্রত্যাহার করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমি বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতির নজর রেখেছি। এ সময় অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে