ফরিদপুর প্রতিনিধি

সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কের পাশাপাশি এবার রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে এলাকাবাসী। ফলে ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল রেলপথে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল, ভোগান্তির মুখে পড়েছে যাত্রীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ভাঙ্গা উপজেলার কৈডুবি সদরদি এলাকায় রেলপথের ৮১ নম্বর গেটে গাছের গুঁড়ি ফেলে রেখে বিক্ষোভ করছে আলগী ইউনিয়নবাসী। এতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন আটকা পড়েছে।
ভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, পদ্মা রেল সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল রেলপথ দিয়ে একটি ট্রেন চলাচল করে আসছে। ট্রেনটি খুলনা থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত জাহানাবাদ এক্সপ্রেস নামে ও ঢাকা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত রুপসী বাংলা নামে চলাচল করে। আজ সকাল ৬ টায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসলেও ২০ কিলোমিটার দূরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় একটি স্টেশনে আটকে রয়েছে৷
ট্রেনটি সকাল পৌনে ১০ টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা ছিল এবং পুনরায় সকাল পৌনে ১১ টায় কমলাপুর থেকে বেনাপোল যাওয়ার কথা। কিন্তু আটকে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন এই রুটের যাত্রীরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাকিবুর রহমান আকন্দ আজকের পত্রিকাকে বলেন, `খবর পাওয়া মাত্রই বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা ২০ কিলোমিটার দূরে থেকেই ট্রেনটি বন্ধ করে দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।’

এদিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্থানীয় আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, যতক্ষণ দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ রেলপথ দিয়ে কোনো ট্রেন চলাচল করতে দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রেলপথ আটকানোর খবরটি জেনেছি। আমরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছি, কিন্তু কোনো কথা শুনছে না তারা।’

সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কের পাশাপাশি এবার রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে এলাকাবাসী। ফলে ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল রেলপথে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল, ভোগান্তির মুখে পড়েছে যাত্রীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ভাঙ্গা উপজেলার কৈডুবি সদরদি এলাকায় রেলপথের ৮১ নম্বর গেটে গাছের গুঁড়ি ফেলে রেখে বিক্ষোভ করছে আলগী ইউনিয়নবাসী। এতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন আটকা পড়েছে।
ভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, পদ্মা রেল সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল রেলপথ দিয়ে একটি ট্রেন চলাচল করে আসছে। ট্রেনটি খুলনা থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত জাহানাবাদ এক্সপ্রেস নামে ও ঢাকা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত রুপসী বাংলা নামে চলাচল করে। আজ সকাল ৬ টায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসলেও ২০ কিলোমিটার দূরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় একটি স্টেশনে আটকে রয়েছে৷
ট্রেনটি সকাল পৌনে ১০ টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা ছিল এবং পুনরায় সকাল পৌনে ১১ টায় কমলাপুর থেকে বেনাপোল যাওয়ার কথা। কিন্তু আটকে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন এই রুটের যাত্রীরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাকিবুর রহমান আকন্দ আজকের পত্রিকাকে বলেন, `খবর পাওয়া মাত্রই বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা ২০ কিলোমিটার দূরে থেকেই ট্রেনটি বন্ধ করে দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।’

এদিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্থানীয় আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, যতক্ষণ দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ রেলপথ দিয়ে কোনো ট্রেন চলাচল করতে দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রেলপথ আটকানোর খবরটি জেনেছি। আমরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছি, কিন্তু কোনো কথা শুনছে না তারা।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে