
দিনাজপুরের কাহারোলে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী আব্দুল করিম নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার পঞ্চগড়-দিনাজপুর মহাসড়কের এগারো মাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আব্দুল করিম নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। তিনি দিনাজপুর জেলা পুলিশের ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) পদে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে বীরগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন শেষে আব্দুল করিম মোটরসাইকেলে শহরে ফিরছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা শামীম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে আমাদের এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘাতক বাসটিকে উপজেলার হাটখোলা এলাকায় আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাসচালক ও চালকের সহকারী পলাতক রয়েছেন। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে