দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ে পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল দেড় বছর বয়সী শিশু হেদায়েতউল্লাহ। একে একে পরিবারের চার সদস্যের মধ্যে তিনজন চলে গেলেন না ফেরার দেশে। এ সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের ঈদ যাত্রা পরিণত হলো শবযাত্রায়।
আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে শিশুটি মারা যায় বলে নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মাসুদ আলম। এরপর দুপুরে হাসপাতালের মর্গ থেকে লাশবাহী গাড়িতে করে মা, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গ্রামের বাড়িতে রওনা হয়েছেন নিহতদের স্বজনেরা।
এর আগে ভোর পৌনে ৫টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়কে তেলবাহী ট্যাংক লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা বিউটি আক্তার (৩০) ও মেয়ে ফাহিমা আক্তার (১২) নিহত হয়। দেড় বছর বয়সী শিশুপুত্র হেদায়েতউল্লাহ এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন থাকার পর বেলা ১২টার দিকে শিশুটি যায়।
তবে এ ঘটনায় আহত মোটরসাইকেল চালক ও শিশুটির বাবা মোহাম্মদ হোসেন আশঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে বিরল উপজেলার তেঘরা এলাকা হতে মোটরসাইকেলযোগে মোহাম্মদ হোসেন (৪০) তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ বের হন। নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার নামো পাঁচটিকরি গ্রামের বাড়িতে ঈদ করার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় তিনি হাউজিং মোড় পেরিয়ে শিফা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে পৌঁছালে একটি তেলের ট্যাংক লরি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান তিনি। এতে তাঁর স্ত্রী মোছা. বিউটি (৩০) ও মেয়ে মোছা. ফাহিমা (১২) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে গুরুতর আহত হয় তার শিশুপুত্র হেদায়েতউল্লাহ। মোহাম্মদ হোসেন বিরলে তেঘরা দারুল হাদীস সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ে পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল দেড় বছর বয়সী শিশু হেদায়েতউল্লাহ। একে একে পরিবারের চার সদস্যের মধ্যে তিনজন চলে গেলেন না ফেরার দেশে। এ সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের ঈদ যাত্রা পরিণত হলো শবযাত্রায়।
আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে শিশুটি মারা যায় বলে নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মাসুদ আলম। এরপর দুপুরে হাসপাতালের মর্গ থেকে লাশবাহী গাড়িতে করে মা, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গ্রামের বাড়িতে রওনা হয়েছেন নিহতদের স্বজনেরা।
এর আগে ভোর পৌনে ৫টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়কে তেলবাহী ট্যাংক লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা বিউটি আক্তার (৩০) ও মেয়ে ফাহিমা আক্তার (১২) নিহত হয়। দেড় বছর বয়সী শিশুপুত্র হেদায়েতউল্লাহ এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন থাকার পর বেলা ১২টার দিকে শিশুটি যায়।
তবে এ ঘটনায় আহত মোটরসাইকেল চালক ও শিশুটির বাবা মোহাম্মদ হোসেন আশঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে বিরল উপজেলার তেঘরা এলাকা হতে মোটরসাইকেলযোগে মোহাম্মদ হোসেন (৪০) তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ বের হন। নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার নামো পাঁচটিকরি গ্রামের বাড়িতে ঈদ করার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় তিনি হাউজিং মোড় পেরিয়ে শিফা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে পৌঁছালে একটি তেলের ট্যাংক লরি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান তিনি। এতে তাঁর স্ত্রী মোছা. বিউটি (৩০) ও মেয়ে মোছা. ফাহিমা (১২) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে গুরুতর আহত হয় তার শিশুপুত্র হেদায়েতউল্লাহ। মোহাম্মদ হোসেন বিরলে তেঘরা দারুল হাদীস সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) যথাসময়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
১২ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে এক কিশোরের ৩৮ টুকরা হাড় ও কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছরের মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকার
১৫ মিনিট আগে
রাজধানীর হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়ার ৪৮ নম্বর বাসার দোতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
৪২ মিনিট আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন ও বিচক্ষণ। তারাই ইতিহাস গড়েছে। নির্বাচনের কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে পুরো জাতি এক কাতারে দাঁড়াবে—জুলাই সনদের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে।’
১ ঘণ্টা আগে